হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪২ এএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন মারা গেছে। তাদের একজন হামে এবং চারজন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময়ে ‘সন্দেহজনক’ হামের রোগী পাওয়া গেছে ১ হাজার ৩৫৮ জন এবং হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের। এই নিয়ে সরকারি হিসেবে গত ৪৪  দিনে হাম সন্দেহে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ জনে। আর এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৪৪ শিশুর। ফলে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৬৪ জনে।

গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাম-সংক্রান্ত পরিস্থিতির নিয়মিত তথ্য দিচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে ৩০ হাজার ৩৮৬ জনের শরীরে। এই সময়ে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৪৪২ জন। হাম শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৬৯৩ জনের। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৯ হাজার ১৮ জন। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে সিলেট বিভাগে দুইজন, আর ঢাকা, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে একজন করে মৃত্যু হয়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্যের বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে হামে মৃত্যু ও শনাক্ত বেশি ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় ‘সন্দেহজনক’ আক্রান্তের মধ্যে সর্বোচ্চ রোগী ঢাকা বিভাগে; ৬৫৯ জন। এর মধ্যে ৬৬ রোগীর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর পরই চট্টগ্রাম বিভাগে  ২১০  জন। এই বিভাগে  নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে দুজন, রাজশাহী বিভাগে ১৯৩  জনের মধ্যে ১৮ জনের, ময়মনসিংহে ১৮ জনের তিনজন এবং সিলেট বিভাগে ৪৩ জনের মধ্যে একজন নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ১১৬ জন, খুলনায় ৭৬ জন এবং রংপুরে ৪৩ জন। রংপুরে ৯ জন সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেলেও এসব বিভাগে নিশ্চিত কোনো হামের রোগী পাওয়া যায়নি। 

সরকারি হিসাবে বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ‘সন্দেহজনক হামে’ সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১০৩ জন। আর এ বিভাগে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২৮ শিশুর। এর পরই রয়েছে রাজশাহী বিভাগে ৬৯ জন, চট্টগ্রামে ২০, খুলনায় ১২, সিলেট ১০ জন এবং বরিশালে ছয়জন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত