ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলিংয়ে শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। মনে হচ্ছিল, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়বে বাংলাদেশ। কিন্তু বেভন জ্যাকবসের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেল। সিরিজের শেষ ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে নিউজিল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়লাভ করায় তিন ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হলো।
বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি নেমে আসে ১৫ ওভারে। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। তাওহীদ হৃদয়ের ৩৩ এবং লিটন দাসের ২৬ রানের ওপর ভর করে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। কিউই বোলার জশ ক্লার্কসন মাত্র ৯ রান দিয়ে শিকার করেন ৩টি উইকেট।
১০৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নামা নিউজিল্যান্ডকে শুরুতেই চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। শরীফুল ইসলামের আগুন ঝরানো বোলিংয়ে মাত্র ৩৩ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল সফরকারীরা। কিন্তু পঞ্চম উইকেটে ডিন ফক্সক্রফটকে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন বেভন জ্যাকবস। এই জুটি মাত্র ৪০ বলে অবিচ্ছিন্ন ৭১ রান তুলে ম্যাচ ছিনিয়ে নেয়।
জ্যাকবসের ইনিংসটি অবশ্য ছিল ভাগ্যের ছোঁয়ায় ভরপুর। ব্যক্তিগত ৪৫ রানে শেখ মেহেদী নিজের বলে তার ক্যাচ মিস করেন। এরপর রিশাদ হোসেনের বলে সীমানায় সহজ ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন তানজিদ হাসান তামিম, যা উল্টো ছক্কা হয়ে যায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ২৯ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন জ্যাকবস। শেষ পর্যন্ত তিনি ৩১ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ১৪.২ ওভারে ১০২ (হৃদয় ৩৩, লিটন ২৬; ক্লার্কসন ৩/৯, সিয়ার্স ২/১২)
নিউজিল্যান্ড (লক্ষ্য ১৫ ওভারে ১০৩): ১১.৪ ওভারে ১০৪/৪ (জ্যাকবস ৬২*, রবিনসন ২৩; শরীফুল ৩/১৯, মেহেদী ১/২০)
ফল: নিউজিল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়ী। সিরিজ: ১-১ অমীমাংসিত।
শেষ ৪ ওভারে ৪০ রান করেও ৩ রানে হারলো জ্যোতিরা