যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটির গোয়েন্দা বিভাগ বলেছে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পরিবর্তনে ওয়াশিংটন এখন কঠিন চাপে পড়েছে।
রবিবার (৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় আইআরজিসি জানায়, ইরানের ওপর নৌ অবরোধ তুলে নিতে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া এক মাসের সময়সীমা প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি ইরানের ইস্যুতে রাশিয়া, চীন ও ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থানের পরিবর্তন—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে।
বার্তায় বলা হয়, এসব ঘটনার একটাই ব্যাখ্যা রয়েছে—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এখন দুটি পথের একটিতে যেতে হবে। হয় একটি অসম্ভব সামরিক অভিযানে নামতে হবে, নয়তো ইরানের সঙ্গে একটি কঠিন সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে।
আইআরজিসি আরও দাবি করে, তেহরান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত স্থায়ীভাবে শেষ করতে একটি বিস্তৃত প্রস্তাব দিয়েছে। এর পরপরই তারা এই মন্তব্য করল।
সংস্থাটি অভিযোগ করে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে আকস্মিক বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডারদের হত্যা করে সংঘাত শুরু করে।
এছাড়া আইআরজিসি দাবি করেছে, এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে শতাধিক পাল্টা অভিযান চালিয়েছে।
শেষে তারা সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্র আগের তুলনায় অনেকটাই সীমিত হয়ে গেছে।