আপেল-কমলা খায় কালাচান সাদাচান

আপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ০২:০৪ এএম

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভোলার কোরবানির হাটে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘কালাচান’ ও ‘সাদাচান’ নামের দুটি বিশালাকৃতির গরু। আপেল-কমলা আর বিশেষ খাদ্য তালিকায় যতেœ বড় হওয়া এই দুই গরুকে ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন শুধু একনজর দেখতে।

ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চরমনোষা গ্রামের ব্যাপারী বাড়ির খামারি দুলাল ব্যাপারী প্রায় তিন বছর ধরে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করছেন হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের এই দুটি গরু। এর মধ্যে ‘কালাচান’র ওজন প্রায় ২২ মণ এবং ‘সাদাচান’র ওজন প্রায় ১৮ মণ। গরু দুটির দাম হাঁকা হয়েছে যথাক্রমে ৮ লাখ ও ৭ লাখ টাকা। খামার ঘুরে দেখা যায়, কোরবানির হাটে তোলার আগে শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন দুলাল ব্যাপারী ও তার পরিবারের সদস্যরা।

খামারি দুলাল ব্যাপারী বলেন, ‘প্রতিদিন সকাল-বিকেল প্রতিটি গরুকে ৯ কেজি করে দানাদার খাবার দেওয়া হয়। খাদ্য তালিকায় থাকে মিষ্টি কুমড়া, আলু, গরুর ফিড, ভুট্টার ভুসি ও গমের ভুসি। এ ছাড়া দুপুরে খাওয়ানো হয় ক্ষেতে উৎপাদিত জার্মান ঘাস। প্রতি শুক্রবার শখ করে আপেল কিংবা কমলাও খাওয়াই।’ ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘খামারি দুলাল ব্যাপারী প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাকৃতিক উপায়ে গরু দুটি লালন-পালন করেছেন। আশা করছি, তিনি ভালো দাম পাবেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত