ফুটবল মাঠের সবুজ গালিচা ছাপিয়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এখন এক সফল বিজনেস টাইকুন। নিজের ব্র্যান্ড 'CR7'-এর অধীনে হোটেল, জিম, সুগন্ধি এবং অন্তর্বাস ব্যবসার বিশাল সাম্রাজ্য গড়ার পর এবার ডিজিটাল মিডিয়া জগতে পা রাখলেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। ব্রাজিলের শক্তিশালী স্পোর্টস মিডিয়া কোম্পানি লাইভমোড (LiveMode)-এর আন্তর্জাতিক শাখা লাইভমোড টিভি-র কৌশলগত অংশীদার ও শেয়ারহোল্ডার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন তিনি।
এই চুক্তির মাধ্যমে জনপ্রিয় স্পোর্টস স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ক্যাজেটিভি (CazéTV)-র পরিচালনা পর্ষদের সাথে যুক্ত হলেন সিআর সেভেন।
লাইভমোড মূলত ব্রাজিলে তাদের উদ্ভাবনী ডিজিটাল সম্প্রচার মডেলের জন্য বিখ্যাত। এবার তারা রোনালদোকে সাথে নিয়ে বিশ্ববাজারে পা রাখছে। এই প্রকল্পের প্রথম বড় লক্ষ্য ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। রোনালদোর অংশীদারিত্বে পর্তুগালের দর্শকরা ইউটিউবে বিনামূল্যে প্রতিদিন একটি করে বিশ্বকাপ ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন।
৪১ বছর বয়সী রোনালদোর বর্তমান সম্পদ প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার। আল-নাসর তারকা ফুটবল থেকে অবসরের আগেই তার ব্যবসায়িক পোর্টফোলিও আরও শক্তিশালী করছেন। এই নতুন উদ্যোগ সম্পর্কে রোনালদো বলেন, 'খেলাধুলাকে সম্পূর্ণ নতুন এবং অনুপ্রেরণামূলক উপায়ে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমার লক্ষ্য। ইউটিউব এবং সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি ব্যবহার করে আমরা বড় টুর্নামেন্টগুলোকে আরও বেশি মানুষের কাছে নিয়ে যেতে চাই।'
ইনস্টাগ্রামে ৬৬ কোটিরও বেশি অনুসারী নিয়ে রোনালদো বিশ্বের সবথেকে প্রভাবশালী ব্যক্তি। লাইভমোড কর্তৃপক্ষ মনে করছে, রোনালদোর এই বিশাল ফ্যানবেস তাদের আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক প্রসারে জাদুর মতো কাজ করবে। লাইভমোডের পার্টনার থিয়াগো টুরিনহোর মতে, "রোনালদোর এই অন্তর্ভুক্তি আমাদের ডিজিটাল মডেলের এক শক্তিশালী স্বীকৃতি।"
লাইভমোডের মালিকানাধীন 'ক্যাজেটিভি' বর্তমানে বিশ্বের ১ নম্বর স্পোর্টস লাইভ স্ট্রিমিং ইউটিউব চ্যানেল। ২০২৫ সালে এই চ্যানেলটি প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ভিউ পেয়েছে। ইউটিউব ইতিহাসের ১৬টি সবথেকে বড় লাইভ স্ট্রিমিং ইভেন্টের মধ্যে ১১টিই এই চ্যানেলের দখলে।
