‘পে-স্কেলে ইমাম-পুরোহিতদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে' 

আপডেট : ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১১ বছর পার হলেও নতুন পে-স্কেল না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা প্রায় ৪৫ শতাংশ কমে গেছে উল্লেখ করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য পূর্ণ অন্তর্বর্তীকালীন বেতন সমন্বয়ের প্রস্তাব করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি। 

দলটির ছায়া বাজেট অনুযায়ী, প্রতি তিন বছর পর পর স্বয়ংক্রিয় ও বাধ্যতামূলকভাবে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী বেতন হালনাগাদ করা হবে।

এছাড়া এতদিন ন্যূনতম মজুরির চেয়ে কম ভাতা পাওয়া দেশের প্রায় ৬০ হাজার ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের বার্ষিক অতিরিক্ত ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি বেতন কাঠামোর ১৬তম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

রবিবার (৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এনসিপির ছায়া বাজেট কমিটি এ প্রস্তাবনা প্রকাশ করে। 

অনুষ্ঠানে দলটির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, ছায়া বাজেট কমিটির প্রধান ও সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ, কমিটির উপপ্রধান আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ এবং জাতীয় শ্রমিক শক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক সজিব ওয়াহিদ উপস্থিত ছিলেন।

এনসিপির ছায়া বাজেটে বলা হয়েছে, এনসিপি তিন বছর মেয়াদী বেতন স্কেল হালনাগাদকরণ চক্রকে একটি স্বয়ংক্রিয় আইনি বাধ্যবাধকতা হিসেবে প্রণয়ন করবে, যা সরকারের ইচ্ছাধীন কোনো সিদ্ধান্ত নয়। 

প্রতি তিন বছর পর পর বেতন কমিশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে গঠিত হবে। এর কার্যপরিধির (টার্মস অব রেফারেন্স) মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে— একটি বাধ্যতামূলক কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স সমন্বয়, যা ন্যূনতম মূল্যস্ফীতি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করবে; সমমানের দক্ষতা স্তরের ভিত্তিতে বেসরকারি খাতের মজুরির সাথে তুলনা; এবং সম্মুখসারির সরকারি কর্মচারী (নার্স, শিক্ষক, পুলিশ কনস্টেবল) যাদের বেতন ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে রয়েছে, তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট বিধান।

এ ছাড়া বেতন কাঠামোতে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত এবং অন্যান্য ধর্মীয় সেবা প্রদানকারীদের অন্তর্ভুক্তির কথাও বলা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত