ইরানের সীমান্ত নিরাপত্তা বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি-আকবর জাভিদান। তিনি বলেছেন, বিশেষ করে পশ্চিম সীমান্তে বাহিনী পূর্ণাঙ্গ অপারেশনাল প্রস্তুতিতে রয়েছে এবং আসন্ন আরবাঈন উৎসব উপলক্ষে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (১৪ জুন) সকালে কেরমানশাহ প্রদেশের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
জাভিদান জানান, ইরানের পশ্চিম সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতায় সীমান্ত নিরাপত্তা সর্বোত্তমভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তার মতে, সীমান্ত অঞ্চলের জনগণ টেকসই নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করছে।
সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সীমান্তরক্ষী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা নিরাপত্তা বিঘ্নকারী উপাদান সীমান্ত এলাকায় তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে ইরাকের সঙ্গে সীমান্ত সহযোগিতা ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। যৌথ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং নিরাপত্তা সমন্বয় সীমান্ত এলাকায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।