ঝালকাঠিতে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে জেলার রাজাপুর উপজেলার সমবায় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও ৪ যাত্রী আহত হয়েছে।
নিহতরা হলেন, জেলার কাঠালিয়া উপজেলার কচুয়া এলাকার মৃত হোসেন মাষ্টারের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৫) ও পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার গৌরিপুর এলাকার বেল্লাল ব্যাপারী ছেলে মেহেদী বেপারী (২৫)।
আহত ৪ জনের মধ্যে একজন ভান্ডারিয়া এলাকার রিপন চন্দ্র রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নেওয়ায় তার পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ছেড়ে আসা বরিশাল এক্সপ্রেস নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। অন্যদিকে বরিশাল থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে ভান্ডারিয়ার দিকে যাচ্ছিল একটি সিএনজি চালিত থ্রিহুইলার। পথে রাজাপুরের সমবায় এলাকায় পৌঁছালে বাস ও থ্রিহুইলারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রী নিহত হন। দুর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। অপরদিকে সিএনজির চালকও ঘটনার পরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আহত এক জনকে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার কারণ এবং পালিয়ে যাওয়া বাসটিকে শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী মামুন হোসেন জানান, দুর্ঘটনার সময় বৃষ্টি থাকার কারণে রাস্তায় মানুষজন তেমন ছিল না। এ সময় বেপরোয়া গতিতে দু দিক থেকেই আসছিল বাস ও সিএনজি। সংঘর্ষের পরে বাসটি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঝালকাঠি (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা ঘতক বাসটিকে আটক করার চেষ্টা চালাচ্ছি। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। ময়নাতদন্তের পর লাশ দুটি তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
