সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল রবিবার দেশের উভয় শেয়ারবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই ও সিএসই) দরপতন হয়েছে। ফলে সূচকের সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মেলে। তবে লেনদেনের শেষদিকে এক শ্রেণির বিনিয়োগকারী বিক্রির চাপ বাড়ায়। দাম বাড়ার তালিকা থেকে অনেক প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় চলে আসে। এতে বড় হয় দাম কমার তালিকা।
লেনদেন শেষে ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় ছিল ৭১টি প্রতিষ্ঠান। বিপরীতে দাম কমেছে ২৯৮টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে নেমে গেছে। তবে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৪৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
প্রধান মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ১৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১৯৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১০৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৯টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৩৬টির এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৮৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।