হালান্ডের নরওয়ে নাকি মানের সেনেগাল

আপডেট : ২২ জুন ২০২৬, ১২:৫৫ এএম

বিশ্বকাপে ‘আই’ গ্রুপে ইরাকের বিপক্ষে বড় জয়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছে নরওয়ে। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে হেরে চাপে আছে সেনেগাল। আগামীকাল বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হবে এই দুই দল। নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের বিধ্বংসী ফর্ম, সাদিও মানের সেনেগালের তারকাসমৃদ্ধ দল এবং নকআউট পর্বের জটিল হিসাব সব মিলিয়ে এই ম্যাচটি ‘আই’ গ্রুপের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলবে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে দুই দল একবারই মুখোমুখি হয়। ২০০৬ সালের সেই প্রীতি ম্যাচে সেনেগাল ২-১ ব্যবধানে নরওয়েকে হারায়। দীর্ঘ দেড় যুগ পর এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে আবার মুখোমুখি হচ্ছে তারা।

নরওয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে দারুণভাবে। ইরাকের বিপক্ষে ৪-১ গোলের দাপুটে জয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে দলটি। বাছাইপর্বে শতভাগ সাফল্যের পর এই বড় জয় ফুটবলারদের মনোবল আরও বাড়িয়েছে। কারণ প্রস্তুতি পর্বে কিছুটা ছন্দ হারায় নরওয়ে। শেষ চারটি প্রীতি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জয় পায় তারা। এবার সেনেগালের বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্ট পেলেই, ফ্রান্স-ইরাক ম্যাচে যা-ই ঘটুক না কেন, শেষ ৩২-এ খেলা নিশ্চিত হয়ে যাবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ানদের। তবে ম্যাচের আগে দুশ্চিন্তাও আছে নরওয়ের। শেষ সাত ম্যাচে মাত্র একটিতে ক্লিন শিট রাখতে পেরেছে তারা।

এদিকে সেনেগালের শুরুটা হয়েছে হতাশাজনকভাবে। ফ্রান্সের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারের ম্যাচে লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ব্র্যাডলি বারকোলার আক্রমণ সামলাতে পারেনি দলটির রক্ষণভাগ। হালান্ডদের মুখোমুখি হওয়ার আগে আফ্রিকার এই দলটি বেশ চাপে আছে। এবারও হারলে শেষ ৩২-এ ওঠার পথ অনেকটাই জটিল হয়ে যাবে তাদের জন্য।

বিশেষজ্ঞরা এই ম্যাচটিকে টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই মনে করলেও নরওয়েকেই কিছুটা এগিয়ে রাখছেন। তবে দলটিতে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভয়ংকর ফিনিশার হালান্ড থাকলেও সেনেগালের স্কোয়াডে রয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা একাধিক তারকা, যারা নিজেদের দিনে একাই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন। তার ওপর রক্ষণভাগ নিয়ে বড় ধরনের জটিলতায় পড়েছে সেনেগাল। ফ্রান্সের বিপক্ষে সেনেগালের অধিনায়ক কালিদু কুলিবালি চোট কাটিয়ে ফিরলেও কোচ পাপে বুনা থিয়াওয়ের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। হালান্ডকে কীভাবে থামানো যায়, সেটি নিয়েই এখন থিয়াও সবচেয়ে বেশি ভাবছেন। বিশেষ করে কুলিবালিকে রেখে দেওয়া হবে নাকি ২০ বছর বয়সী মামাদু সারকে সুযোগ দেবে এই সিদ্ধান্তই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত