মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমার আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল আলোচিত শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইইউভুক্ত দেশগুলো চুক্তিটি অনুমোদন করে।
চুক্তি বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে আগামী ৪ জুলাই থেকে ইউরোপীয় পণ্যের ওপর আরও বেশি শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এর প্রেক্ষাপটে চুক্তি অনুমোদনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
সাইপ্রাসের বাণিজ্যমন্ত্রী মাইকেল দামিয়ানোস বলেন, 'আমরা আমাদের ঐতিহাসিক মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শক্তিশালী ও উন্মুক্ত বাণিজ্যিক অংশীদারত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
২০২৫ সালের আগস্টে ট্রাম্প ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের মধ্যে হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী, অধিকাংশ ইউরোপীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ১৫ শতাংশে সীমিত থাকবে। বিনিময়ে ইইউ যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পপণ্যের ওপর শুল্ক তুলে নেওয়া এবং কৃষিপণ্যের বাজারে প্রবেশ সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তবে ইইউ নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় কয়েকটি সুরক্ষাব্যবস্থাও যুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৯ সালের শেষ নাগাদ শুল্ক সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ার বিধান এবং যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইইউর ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে ব্যর্থ হলে সুবিধা স্থগিত করার সুযোগ।
দামিয়ানোস বলেন, 'উন্মুক্ত বাণিজ্যের পাশাপাশি নিজেদের স্বার্থও সুরক্ষিত রাখতে হবে। এই ব্যবস্থা একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থিতিশীল বাণিজ্য নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে চুক্তি লঙ্ঘিত হলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেবে।'