মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ধারণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দপ্তরি মো. আলমগীর হোসেন সরদারের বিরুদ্ধে। রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে লৌহজং থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা জানান, দপ্তরি আলমগীর সরদার তার চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে মুঠোফোনে কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও দেখায়। পরবর্তীতে তার মেয়েকে ঠিক একইভাবে নিজের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দপ্তরির ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠানোর জন্য চাপ দেয়। এর আগে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি (ব্যাড টাচ) করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
এদিকে অভিযুক্ত দপ্তরি ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলে যে সে যদি তার কথামতো ছবি ও ভিডিও না পাঠায়, তবে তাকে ‘রামিছা’র মতো হত্যা করা হবে। এই হুমকির পর থেকে অবুঝ শিশুটি প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে।
অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক রেশমা আখতার বলেন, উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে, স্যার বিষয়টি তদন্ত করছে। বিষয়টি জানাজানির পর অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন সরদার পলাতক রয়েছেন।
লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।