সংসদের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী

মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে 

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু যখন দেশের প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের কথা আসে, তখন সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। 

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি এবং বিদেশি তাবেদারি রুখতে হলে রাষ্ট্র এবং দেশের জনগণকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। আর সেই শক্তিশালীকরণের প্রথম ধাপই হলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করা।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের  সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

তারেক রহমান বলেন, সরকার বাংলাদেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের করে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এজন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি সম্পদ সৃষ্টি করবো। এমনভাবে পরিকল্পনা করবো যেন ২০৩৪ সালে বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কাছাকাছি যেতে

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, একটি বিশেষ দেশকে সুবিধা দেওয়ার জন্য চিকিৎসা খাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি খাতের কাজ ধীরে ধীরে শুরু করেছেন। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ইতোমধ্যে চালু হওয়া বিভিন্ন কার্ডকে একটি ইউনিভার্সেল কার্ডে নিয়ে আসা হবে।

শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে ধনী-গরীব কোনো বৈষম্য থাকবে না। চরমপন্থা ও উগ্রবাদের কোনো ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উগ্রবাদ ও চরমপন্থা রুখতে বিরোধী দলের সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত