স্পেনীয় উচ্চারণে শহরের নাম ‘মাচু পিচু’ হলেও অনেকে বলেন ‘মাচু পিকচু’। এটি পেরুর ‘উরুবাম্বা’ উপত্যকার পর্বত চূড়ায়। বেশিরভাগ পুরাতত্ত্ববিদ বিশ্বাস করেন, মাচু পিচুকে ‘পাচাকুতিক’ নামের ইনকা রাজার শাসন আমলে গড়া হয়েছিল। ১৬শ শতাব্দীতে স্প্যানিশরা আক্রমণ করলে, কাকতালীয়ভাবে শহরটি জনমানব শূন্য হয়। স্পেনীয়রা কখনো এই শহরের অস্তিত্ব সম্বন্ধে অবগত ছিল না। ১৯১১ সালে আমেরিকান পুরাতত্ত্ববিদ হিরাম বিংহামের প্রতি সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেন। ১৯৮১ সালে এই এলাকাকে পেরুর সংরক্ষিত ঐতিহাসিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো একে বিশে^র ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় স্থান দেয়। ১৪৫০ সাল। তখন ইনকা সভ্যতার স্বর্ণযুগ চলছে। এমন সময় মাচু পিচু শহর নির্মাণ করা হয়। তবে ১০০ বছরের মধ্যে শহরটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। জানা যাচ্ছে, এখানে রাখা হতো ভয়ংকর অপরাধীদের। ইতিহাসবিদ জন রো এবং রিচার্ড বার্গারেরর মতে, এটি ছিল ইনকা রাজার অবকাশ যাপনকেন্দ্র। অবশ্য বেশিরভাগ পুরাতত্ত্ববিদ তাদের মতবাদকেই সমর্থন করেন। মাচু পিচু প্রাচীন স্থাপত্যবিদ্যার স্বাক্ষর বহন করে। স্থাপনাগুলোর দেয়াল পাথর দ্বারা নির্মিত। ইনকারা এত বিশাল বিশাল আকৃতির পাথর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে কীভাবে সরিয়ে নিয়ে গেছেন, তা বিশাল রহস্য।
সৌন্দর্যের লীলাভূমি মাচু পিচু
প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১৭ এএম
আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:১৭ এএম
সৌন্দর্যের লীলাভূমি মাচু পিচু
×
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০