এক নজরে

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৩ এএম

মুক্তি পেয়েও অসন্তুষ্টি

বিশ্বকাপে লাল কার্ড বিতর্ক নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন। তিনি জানান, তার লাল কার্ড স্থগিত হওয়া নিয়ে তৈরি বিতর্কের প্রভাব দলের অন্য খেলোয়াড়দের ওপরও পড়ে। রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে বসনিয়ার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেন বালোগুন। নিয়ম অনুযায়ী শেষ ষোলোর ম্যাচে তার নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আপিলের পর ফিফা সেই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে। এর আগে হোয়াইট হাউজ থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফা সভাপতিকে ফোন করেন বলেও দাবি ওঠে। পরে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামেন বালোগুন। ঘটনাটি নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্ত

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগুনের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা বাতিলকে কেন্দ্র করে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে মানবাধিকার ও ক্রীড়া সংগঠন ফেয়ার স্কয়ার। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাবের মুখে ফিফার নিয়ম ভেঙে বালোগুনকে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা অলিম্পিক চার্টারের রাজনৈতিক নিরপেক্ষ নীতির পরিপন্থী। পাশাপাশি ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ড ও বিতর্কিত পুরস্কার প্রদানসহ পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও নরওয়ের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও তীব্র সমালোচনা করেছে।

বদলাল রেলস্টেশনের নাম

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ঘিরে ইংল্যান্ডজুড়ে ফুটবল উন্মাদনার ছোঁয়া লেগেছে রেলস্টেশনেও। সমর্থকদের উৎসাহ বাড়াতে চেশায়ারের হোমস চ্যাপেল রেলস্টেশনের নাম সাময়িকভাবে বদলে ‘ইটস কামিং হোমস চ্যাপেল’ রাখা হয়। ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় স্লোগান ‘ইটস কামিং হোম’-এর সঙ্গে মিলিয়ে এই নামকরণ করে দেশটির নর্দার্ন রেল কর্র্তৃপক্ষ। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের কয়েক ঘণ্টা আগে বিশেষ এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। নর্দার্ন রেলের বাণিজ্যিক পরিচালক অ্যালেক্স হর্নবি জানান, যাত্রীরা যেন খেলার আগে আনন্দময় একটি অভিজ্ঞতা পান, সেটিই তাদের মূল উদ্দেশ্য। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলে স্টেশনের নাম আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে।

হারের জেরে সংঘর্ষ

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে ফ্রান্স বিদায় নেওয়ার পর দেশটির বিভিন্ন শহরে সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্যারিস ও লিওঁ মিলিয়ে ১৬০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভির তথ্য অনুযায়ী, শুধু প্যারিসেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৪১ জন। পুলিশ জানিয়েছে, অধিকাংশকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জরুরি সেবাকর্মীদের লক্ষ্য করে আতশবাজির মর্টার নিক্ষেপের অভিযোগে আটক করা হয়। লিওঁতেও বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে। তবে কোথাও গুরুতর হতাহত বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত