ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র দাবির মুখে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন প্রহ্লাদ জোশী। সিজেপির অন্য দাবিগুলোও মেনে নেওয়ার পর সোমবার (২৭ জুলাই) সংসদে প্রশ্নফাঁসবিরোধী আইনের সংশোধনী বিল পেশ করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।
লোকসভায় প্রবল হইচইয়ের মধ্যে বিলটি উপস্থাপন করা হয়। বিল পেশের সময় বিরোধীরা সিজেপির বিক্ষোভে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরকারের বক্তব্য দাবি করেন। বিরোধী নেতা রাজীব গান্ধী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছেন, তাঁর নির্দেশেই কি বিক্ষোভে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছিল। পরে স্পিকার ওম বিড়লা অধিবেশন দুপুর ২টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নন্দন নীলেকার্নির নেতৃত্বে একটি টাস্কফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই টাস্কফোর্স পরীক্ষা পদ্ধতি ও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) সংস্কারে সুপারিশ করবে।
অন্যদিকে সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, তাঁদের আন্দোলন শেষ হয়নি; বরং এটি নতুন পর্বের শুরু। তবে পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানাননি।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, সংশোধনী বিলে প্রশ্নফাঁসসংক্রান্ত মামলার জন্য পৃথক বিচারিক ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে মোট সাতটি সংশোধনী আনা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত ও বিচার শেষ করার বিধানও রাখা হয়েছে।
বিল অনুযায়ী, একাধিক রাজ্যে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটলে কেন্দ্র বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করতে পারবে। ওই টাস্কফোর্সকে দুই মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারও প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষাসংক্রান্ত অনিয়ম মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবে। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য শাস্তির মেয়াদও বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।