মহাবিশ্বে ১০০ বিলিয়নের ওপর ছায়াপথ রয়েছে। প্রত্যেক ছায়াপথে আবার ১০০ বিলিয়নেরও বেশি নক্ষত্র। গ্যালাকটিক জায়ান্ট মেঘমালা, কসমিক ধূলিকণা এবং গোনার সক্ষমতার বাইরে গ্রহ-উপগ্রহ। এছাড়াও নক্ষত্র থেকে নিঃসৃত আলো, এক্স-রে, গামা-রেসহ জানা-অজানা অনেক রশ্মি শক্তির উৎস। আলবার্ট আইনস্টাইন প্রথম বলেন শূন্যস্থান আসলে শূন্য নয়। এর চমকপ্রদ উপাদান আছে এটি শক্তি। সেই শক্তিই ‘ডার্ক এনার্জি’। মহাবিশে^র মাত্র ৫% ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন পরমাণু নিয়ে গঠিত। অবশিষ্ট ৯৫% গঠনের সরাসরি প্রত্যক্ষ সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয়, এই ৯৫% গঠনের কিয়দংশ ‘ডার্ক এনার্জি’ বা তমোশক্তির দখলে। বাকিটা ‘ডার্ক ম্যাটার’ বা তমো পদার্থ। মহাবিশ্বের গতিশীল তথা ত্বরান্বিত সম্প্রসারণের জন্য, তমোশক্তিকে দায়ী করা হয়। আর মহাবিশ্বের শত-সহস্র ছায়াপথের যে প্রকাণ্ড ভর ও পরিসর, তা সংগঠনে তমোপদার্থের অবদান রয়েছে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা। তারা মনে করেন, ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাংয়ের ফলে মহাবিশ্বের সূচনা। গত শতাব্দীর নব্বই দশক পর্যন্ত ধারণা করা হতো, মহাবিশ্বের প্রসারণ একসময় থেমে যাবে। তখন মহাকর্ষের প্রভাবে সংকুচিত হওয়া শুরু করবে মহাবিশ্ব। কিন্তু প্রমাণিত হয়েছে, মহাবিশ্ব শুধু প্রসারিত হচ্ছে না বরং প্রসারণের গতি বাড়ছে। ১৯৯৮ সালে দুটি ভিন্ন গবেষক দল আলাদাভাবে দাবি করেন, তারা আরও নির্ভুলভাবে পরিমাপ করে দেখতে পান মহাবিশ্ব প্রসারণের হার পূর্বের তুলনায় বেশি। যদিও এখন পর্যন্ত ডার্ক এনার্জির অস্তিত্ব সরাসরি পর্যবেক্ষণ সম্ভব হয়নি।
রহস্যময় ডার্ক এনার্জি
প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০২ এএম
আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০২ এএম
রহস্যময় ডার্ক এনার্জি
×
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
