কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সবচেয়ে বড় মাদকসম্রাট ইকবাল জাহিদী মিজুকে (৩৮) ১৪৩ পিস ইয়াবা ও এক গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার সহযোগী মো. নুর আলমকেও (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের কালাচান মোড়সংলগ্ন এলাকায় নুর আলমের বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মিজু উপজেলার পশ্চিম ছাট গোপালপুর এলাকার মো. শরিফুল ইসলাম জাহিদীর ছেলে। তার সহযোগী নুর আলম একই উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া এলাকার মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে। এছাড়াও মিজু উপজেলা সবচেয়ে বড় মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই আল-আমিন, এএসআই সোহাগ রানা ও আসাদুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী দল অভিযানটি পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নুর আলমের বাড়িতে মাদক সেবনরত অবস্থায় মিজু ও নুর আলমকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৪৩ পিস ভারতীয় ইয়াবা ও এক গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। জব্দ মাদকের আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ৬০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় মিজু পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য কিছুটা আহত হয়েছে। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে ও তার সহযোগীকে আটক করতে সক্ষম হন।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, মিজু ভূরুঙ্গামারী উপজেলার একজন কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার মাদক সরবরাহকারী চক্রের মাধ্যমে উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের কাছেও নিয়মিত মাদক পৌঁছানোর অভিযোগ রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করি, এ গ্রেপ্তারের ফলে উপজেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণের পরিস্থিতি কিছুটা হলেও উন্নত হবে।