মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে শোচনীয় হারের মুখ দেখেছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। জিওডিস পার্কে স্বাগতিক ন্যাশভিল এসসি-র কাছে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হেরেছে সফরকারীরা। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে খেলে তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোলে অ্যাসিস্ট করলেও দলীয় ভাগ্য বদলাতে পারেননি অধিনায়ক লিওনেল মেসি; উল্টো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পেনাল্টি হাতছাড়া করে হতাশ করেছেন তিনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই ঘরের মাঠে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা ন্যাশভিল। ১৫ মিনিটে অ্যান্ডি নাজারের দারুণ এক হেডে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে দ্রুতই সমতায় ফেরার সুযোগ পায় মায়ামি। ডি-বক্সে লুইস সুয়ারেজ ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট-কিক থেকে মেসির নেওয়া শটটি দক্ষতার সাথে পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রায়ান শোয়াকে। ফিরতি বলে সার্জিও রেগুইলন বল জালে পাঠালেও, শট নেওয়ার আগেই বক্সে প্রবেশ করায় সে গোল বাতিল করেন রেফারি। বিশ্বকাপেও দুটি পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি।
প্রথমার্ধের শেষদিকে মেসির চমৎকার পাস ধরে দারুণ এক একক প্রচেষ্টায় গোল করে মায়ামিকে সমতায় ফেরান তেলাস্কো সেগোভিয়া।
বিরতির পর আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ন্যাশভিল। ৫০ মিনিটে হানি মুখতারের শটে পিছিয়ে পড়ে মায়ামি। এর সাত মিনিট পর স্যাম সুরিজের দৃষ্টিনন্দন ব্যাক-হিল গোলে ব্যবধান ৩-১ করে ফেলে স্বাগতিকরা। ম্যাচের শেষ ভাগে মায়ামির গোলরক্ষক রোকো রিওস নোভোর মারাত্মক ভুলে ফাঁকা জালে বল পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন হানি মুখতার।
ম্যাচের বাকি সময়ে মেসি ও ক্যাসেমিরোর শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। অতিরিক্ত সময়ে (৯৫ মিনিট) মেসি বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
এই হারের ফলে ১৯ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়েই আটকে রইল ইন্টার মায়ামি, আর ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করল ন্যাশভিল।
অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারাতে বাংলাদেশের চাই ৫৭ রান