টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন

সাড়ে ৫ কোটি টাকার অর্থদণ্ডসহ ইউপি সদস্য নুরুল হুদার কারাদণ্ড 

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য নুরুল হুদাকে সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় সাড়ে তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. মিজানুর রহমান রবিবার (১৬ আগস্ট) এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নুরুল হুদা টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা পশ্চিমপাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ও হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৮নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন জানান, ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে মাদক কারবারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি নুরুল হুদাকে তিন বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার ৫৩৭ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল হুদার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান করে। অনুসন্ধানে নুরুল হুদার নামে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৪২ হাজার ৩৩৩ টাকার স্থাবর এবং ২৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে তার নামে ২ কোটি ৯০ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৭ টাকার সম্পদ থাকার তথ্য পায় দুদক। এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১৯ লাখ ১০ হাজার টাকা।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৭১ লাখ ২৫ হাজার ৩৩৭ টাকা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত