আদিবাসীদের অস্তিত্ব অস্বীকার, দুই মন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ ৪৪ জন নাগরিকের

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ৪৪ নাগরিক।  যৌথ বিবৃতিতে বলছেন,  কোন দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এ ধরণের অপ্রত্যাশিত মন্তব্যে তারা হতাশ। এসময় তারা এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, এ ধরণের বক্তব্য শুধু অনভিপ্রেতই নয়, সেইসাথে আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র পরিচয় এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃত অধিকারকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়ার সমার্থক।

গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকায় চিটাগং হিল ট্র্যাক্টস রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (সিএইচটিআরএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জন্য আদিবাসী পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের বক্তব্যের পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এ বিবৃতি দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঢাকায় “বাংলাদেশের জন্য আদিবাসী পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক” শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন যে বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী জনগোষ্ঠী নেই, সকল নাগরিককে কেবল বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত এবং জাতিসংঘের আদিবাসী অধিকার ঘোষণাপত্র (ইউএনডিআরআইপি) ও আইএলও কনভেনশন নং ১৬৯ বাংলাদেশ অনুস্বাক্ষর করেনি, তাই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তথ্যমন্ত্রীও একইভাবে দাবি করেছেন যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে “আদিবাসী” শব্দটি অপ্রাসঙ্গিক। কোন দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এ ধরণের অপ্রত্যাশিত মন্তব্যে আমরা হতাশ হয়েছি এবং সেইসাথে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ধরণের বক্তব্য শুধু অনভিপ্রেতই নয়, সেইসাথে আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র পরিচয় এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃত অধিকারকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়ার সমার্থক।

আদিবাসী পরিচয় এবং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরস্পরবিরোধী নয় উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠী একই সাথে রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশী এবং স্বতন্ত্র আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সদস্য। বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৩ক- এ বলা হয়েছে, “রাষ্ট্র বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক  সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে”। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদের সাথে মন্ত্রী মহোদয়ের প্রদত্ত বক্তব্য সাংঘর্ষিকও বটে।  এছাড়াও জাতিসংঘের আদিবাসী সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্বের প্রতি কোন প্রকার পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই তাদের নিজস্ব পরিচয় নির্ধারণের অধিকার রয়েছে” (অনুচ্ছেদ-১)। আদিবাসী পরিচয়ের স্বীকৃতি জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে না, কিংবা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা বা ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে না। বরং আদিবাসী পরিচয়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন সকল মানুষের মর্যাদা, অধিকার ও পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য, অন্তর্ভুক্তি এবং একটি নিরাপদ ও ন্যায়সঙ্গত সমাজকে শক্তিশালী করে।

যদিও বাংলাদেশ আইএলও কনভেনশন নং ১৬৯ অনুসমর্থন করেনি, তবে যেটি উল্লেখ করেননি, তা হলো বাংলাদেশ আইএলও আদিবাসী ও ট্রাইবাল জনগোষ্ঠী বিষয়ক ১৯৫৭ সালের কনভেনশন (আই এল ও কনভেনশন ১০৭) অনুসমর্থন করেছে, যা আইনত বাধ্যতামূলক বলে বিবৃতিতে বলা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আদিবাসী ও ট্রাইবাল জনগোষ্ঠীর পরিচয়, সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান এবং ঐতিহ্যগতভাবে মালিকানাধীন ভূমির ওপর তাদের অধিকারসহ তাদের আত্মপরিচয় সুরক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশের দায়বদ্ধতা অব্যাহত রয়েছে। কনভেনশন নং ১৬৯ অনুসমর্থন না করার অজুহাতে এই দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করার অবকাশ নেই।

১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের পর ভূমি সংক্রান্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইন ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত আইনের ৯৭ ধারা সমতলের আদিবাসীদের ভূমি অধিকার সুনিশ্চিত করার জন্য অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এর দ্বারা আদিবাসীদের জমি অ-আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকের ক্রয় বা অবৈধ দখলে নিশেধাজ্ঞা আরোপ করা আছে। এছাড়াও বাংলাদেশের অন্যান্য বিভিন্ন আইন ও নীতিমালায়ও আদিবাসী জনগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অর্থ আইন, ১৯৯৫ — আইন ১২, ১৯৯৫ এবং আয়কর আইন, ২০২৩ (“পাহাড়ি আদিবাসী”), দ্রুত দারিদ্র‍্য হ্রাসকরণ বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল ২, ২০০৯ (“আদিবাসী সম্প্রদায়”), এবং জাতীয় শিক্ষা নীতি, ২০১০ (“আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী”) প্রভৃতি। যেখানে আদিবাসী শব্দের পাশাপাশি আদিবাসীদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।
 
জাতি সংঘের অন্যান্য দলিল যথা ইন্টারন্যাশনাল কভেন্যান্ট অন সিভিল এ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটস, ইন্টারন্যাশনাল কভেন্যান্ট অন ইকোনোমিক এ্যান্ড কালচারাল রাইটস এবং সিডিও প্রভৃতিতে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে। ঐ সব দলিলেও আদিবাসীদের অধিকার সংরক্ষণের অঙ্গীকার রয়েছে যা আইনত বাধ্যকতামূলক বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

বিবৃতিতে প্রশ্ন করে বলা হয়েছে, সর্বোপরি বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে আমাদের প্রিয় দেশকে ‘রেইনবো নেশনে’ রূপান্তর করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। দুই মন্ত্রীর উপরোক্ত বক্তব্যের পরে প্রশ্ন আসে বাংলাদেশে আদিবাসী বা ট্রাইবাল জনগোষ্ঠী না-ই থেকে থাকে তা হলে তারা রেইনবো নেশন গড়ার অঙ্গীকার করেছেন কি উদ্দেশ্যে?

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিএনপি সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দলের চার দশকের বেশি সময়ের সর্বজনমান্য চেয়ারপার্সন প্রয়াত খালেদা জিয়া ২০০৩ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল আদিবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন “আমাদের জনগোষ্ঠীরই একটি অংশ আদিবাসী। আদিবাসীরাও আর সকলের মতো সমান মর্যাদাসম্পন্ন বাংলাদেশের নাগরিক।” তিনি আরো বলেছিলেন, “আদিবাসীদের রয়েছে এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, বৈচিত্রময় সংস্কৃতি। এই ঐহিহ্য ও সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় সম্পদ।”

“সকলেরই স্মরণ থাকার কথা যে, বাংলাদেশে ‘আদিবাসী নেই’ এই দুরভিসান্ধিমূলক তত্ত্বের উদ্ভাবন করেছিল পতিত স্বৈরশাসকরা। যাদের হাতে আদিবাসীসহ সকল স্তরের মানুষের মানবাধিকার হরণ ও বর্বর নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যূত্থানের ফলে অর্জিত গণতান্ত্রিক অধিকার ও নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। তাদের মুখে পতিত সরকারের উদ্ভট তত্ত্বের বুলি আদৌ মানায় কি? যদি কোন বিশেষ মহল বা গোষ্ঠীর উৎসাহে দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ‘দেশে আদিবাসী নেই’ উদ্ভট তত্ত্বের প্রচার চালাতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে সেই গোষ্ঠীর আসল পরিচয় জনগণের সামনে প্রকাশ করাও স্বচ্ছতার স্বার্থে জরুরি।”

বিবৃতিতে দুই মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, প্রেক্ষাপটে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সুস্পষ্টভাবে আমরা বলতে চাই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আমাদের সংবিধান, আন্তর্জাতিক আইন এবং রাষ্ট্রীয় আইনের সাথে সাংঘর্ষিক, তাই তাদের এ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ এবং সেই সাথে অবিলম্বে দুই মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার পূর্বক এ ব্যাপারে জনমনে সৃষ্ট সংশয় ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে হবে। মনে রাখা দরকার, সম্মানীয় মন্ত্রীর দায়িত্বশীল পদে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকে এ ধরণের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়া হলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি, মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার আশংকা সৃষ্টি করতে পারে।

বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন- অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মানবাধিকার কর্মী ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন; খুশী কবির, সমন্বয়কারী, নিজেরা করি; শিরীন পারভিন হক, সদস্য, নারীপক্ষ; আবু সাঈদ খান, লেখক ও সাংবাদিক; রাশেদা কে চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক, গণস্বাক্ষরতা অভিযান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, টিআই-বি; শাহিন আনাম, নির্বাহী পরিচালক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন; অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও সভাপতি, আইন ও সালিস কেন্দ্র; ডা: মং উষা থোরাই, সিনিয়র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক; ড. শহিদুল আলম, আলোকচিত্রী; ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অনরারি নির্বাহী পরিচালক, ব্লাস্ট ও সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

আরও স্বাক্ষর করেন- শামসুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক, এএলআরডি; অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট; অ্যাডভোকেট তবারক হোসেন, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোট; রেহেনুমা আহমেদ, লেখক ও গবেষক; ড. সুমাইয়া খায়ের, অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ড. সামিনা লুৎফা, অধ্যাপক, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ড. জোবাইদা নাসরীন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; তাসনিম সিরাজ মাহবুব, সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ড. মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; ড. ফিরদৌস আজীম, অধ্যাপক, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়; ড. ফস্টিনা পেরেইরা, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট; ড. মোশরেকা অদিতি হক, সহযোগী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

স্বাক্ষর করেন- অ্যাডভোকেট সালমা আলী, নির্বাহী পরিচালক, বি এন ডব্লিউ এল এ; পাভেল পার্থ, লেখক ও গবেষক; সায়দিয়া গুলরুখ, সাংবাদিক ও গবেষক; রোজিনা বেগম, গবেষক ও অধিকার কর্মী; বিলু কবীর, কবি ও গবেষক; মনিন্দ্র কুমার নাথ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ; সালেহ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন; পারভেজ হাসেম, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী; জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ; সাঈদ আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী; শাহেদ কায়েস, কবি ও প্রাবন্ধিক; মিঠুন রাকসান, আদিবাসী কবি ও সংস্কৃতি কর্মী; হাফিজ রশিদ খান, কবি ও আদিবাসী সংস্কৃতি কর্মী; দীপায়ন খীসা, মানবাধিকার কর্মী; জাহেদ হাসান, মানবাধিকার কর্মী; আমিনুর রসুল, পরিবেশ ও মানবাধিকার কর্মী; জুয়েল মারাক, সাংবাদিক ও অধিকার কর্মী; ইন্টু মনি তালুকদার, প্রকাশক ও আদিবাসী সংস্কৃতি কর্মী; ড. হানা শামস আহমেদ, অধিকার কর্মী; ড. নাসরিন খন্দকার, নৃবিজ্ঞানী এবং হিরণ মিত্র চাকমা, আদিবাসী ও মানবাধিকার কর্মী

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত