আধুনিক স্থাপত্য হতে হবে বিজ্ঞাননির্ভর

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৮ এএম

প্রধান স্থপতি, সাতত্য সবুজ সচেতন স্থাপত্য

যেকোনো জিনিসকে অর্থবহ করে তুলতে সমন্বয় প্রয়োজন। একটি ভবন নির্মাণ করতে গেলে অনেক ধরনের উপকরণের প্রয়োজন হয়। আবার উপকরণগুলোর গুণগতমানের সঙ্গে মূল্যের তারতম্য থাকে। স্থানভেদে কোন উপকরণ কোথায় ব্যবহার করা যাবে কিংবা আর্থিকভাবে তা সাশ্রয়ী হবে কিনা, সেটা বিবেচনা করে নিজেদের স্থাপত্য নকশায় আর্কিটেক্টরা সেগুলো যুক্ত করেন। তাহলে এখানে আর্কিটেক্ট, প্রকৌশলী, ক্রেতার পাশাপাশি এসব পণ্য উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে যারা জড়িত থাকেন তাদের মধ্যে একটি মেলবন্ধন থাকা দরকার। মেলবন্ধন না থাকলে উৎপাদনকারীর উৎপাদিত পণ্য সম্পর্কে ব্যবহারকারীরা যেমন জানবে না, তেমনিভাবে যারা ডিজাইন করবেন তারাও জানবেন না। সারা বিশে^ই এই মেলবন্ধনের জন্য মেলা হয়ে থাকে। একসময় ঢাকায় হতো এ ধরনের মেলা, এবার থেকে চট্টগ্রামে হচ্ছে। অবশ্যই এটা একটি ভালো উদ্যোগ।

বিদেশের মেলাগুলোতে সেমিনার থাকে না। কিন্তু চট্টগ্রামে যে ফেয়ারটি হতে যাচ্ছে এখানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতিমান আর্কিটেক্ট ও নগর পরিকল্পনাবিদরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন। এতে জুনিয়র ও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত আর্কিটেক্টরা জ্ঞানলাভ করতে পারবে, যা তাদের আগামীর টেকসই নকশায় কাজে লাগবে। 

চট্টগ্রামের ভূ-বৈচিত্র্য দেশের অন্য যেকোনো এলাকা থেকে পৃথক। এ ছাড়া সমুদ্র উপকূলবর্তী শহর হওয়ায় এখানকার ভবনের নকশায় কী ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে, তা অভিজ্ঞ স্থপতিরা তাদের সেমিনার উপস্থাপনায় বলবেন। একই সঙ্গে বর্তমানে গ্রিন বিল্ডিংয়ের কনসেপ্ট কিংবা গ্লাস বিল্ডিংয়ের ডিজাইন বাড়ছে। এসব বিল্ডিংয়ের নকশা করতে গিয়ে কোন কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখা প্রয়োজন কিংবা এগুলোর জন্য টেকসই উপকরণ কোথায় কোথায় পাওয়া যাবে, এর একটি মেলবন্ধন হবে এই এক্সপো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত