চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
নগরায়নের কারণে উন্নত জীবনযাত্রার আশায় মানুষ শহরে এসে ভিড় করছে। এতে শহরের ভূমিতে চাপ বাড়ছে। তাহলে অধিক জনসংখ্যাকে স্বল্প ভূমিতে আবাসন, বাণিজ্যিক ও শিল্পায়নের সুযোগ করে দিতে নগরকে ওপরের দিকে (উলম্ব) সম্প্রসারণ করতে হবে। আর এই ওপরের দিকে নিয়ে যেতে সুউচ্চ ভবন নির্মাণ করতে গ্রিন বিল্ডিং হবে। এ জন্য আমরা ৬০ ফুট রাস্তার পাশে ২৫ থেকে ৩০তলা ভবনের অনুমোদন দিতে চাই। সুউচ্চ এসব ভবন নির্মাণে আধুনিক স্থাপত্যে টেকসই নির্মাণকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। আর টেকসই নির্মাণের জন্য প্রয়োজন গুণগত মানসম্পন্ন নির্মাণ উপকরণ।
দেশ অনেক এগিয়ে গেছে। দুবাই কুয়ালালামপুরসহ বিশে^র উন্নত শহরগুলোর আলোকে আমরাও সুউচ্চ ভবন নির্মাণ শুরু করতে চাই। তাই এখানে রিয়েল এস্টেটের পাশাপাশি উন্নত ডিজাইন করতে পারে এমন আর্কিটেক্ট যেমন লাগবে তেমনিভাবে উন্নত উপকরণও লাগবে। এসব উপকরণের মাধ্যমে আর্কিটেক্টরা ভবনের নির্মাণ ডিজাইন চূড়ান্ত করতে সহজ হবে। বর্তমানে ভূমিকম্প একটি অন্যতম নগর দুর্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাই নগরবাসীকে রক্ষা করতে ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে। আর এসব ভবনের ডিজাইন করতে সবুজায়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রতিটি ভবনের ছাদে বৃষ্টির পানি ধরে রেখে ভবনের নিচে পৃথক ওয়াটার রিজার্ভার তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীকেও সিডিএর অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় অপরিকল্পিত নগরায়নের ফল নগরবাসীকেই ভোগ করতে হবে। তবে নকশা হতে হবে পুরোপুরি বিজ্ঞাননির্ভর।