সাইকেল চালানো স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এটা আমরা কমবেশি সবাই জানি। বিশেষত হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাইক্লিং করা উচিত। রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। খারাপ বা এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। রোজ নিয়ম করে সাইক্লিং করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এর জেরে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেন পৌঁছায়। তাই কোনো রকম কায়িক পরিশ্রম করার পরও শরীর কাহিল হয়ে পড়ে না।
সাইক্লিং করলে পুরো শরীরেরই এক্সারসাইজ হয়ে যায়। এটি যেমন জয়েন্টের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়ায়, তেমনই ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। হাঁটু, গোড়ালি, নিতম্ব প্রতিটি অংশের জয়েন্ট নমনীয় হয়। সাইকেল চালালে শরীরের নিচের অংশের পেশিগুলোর জোর বাড়ে। পেশির সামগ্রিক গঠন উন্নত হয়। পা, বিশেষত কাফ মাসলের জোর বাড়াতে সাইকেল চালানো উচিত। শারীরিক ফিটনেসের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও উন্নত হয় সাইক্লিং করলে। সাইকেল চালালে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিনের মতো হরমোন নির্গত হয়। এগুলো মানসিক অবসাদ কমাতে এবং মন-মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। হ্যাঁ, নিয়মিত সাইক্লিং একটি ভালো কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম এবং ফিটনেস বজায় রাখতে সহায়ক। সাইক্লিং ক্যালোরি খরচ বাড়ায়। সুষম খাবারের সঙ্গে করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে পা, ঊরু ও কাফের পেশিতে বেশি কাজ করে। পাশাপাশি শরীরের সামগ্রিক স্ট্যামিনাও বাড়াতে পারে। নিয়মিত সাইক্লিং কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেস উন্নত করতে এবং হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। হ্যাঁ। শারীরিক ব্যায়াম স্ট্রেস কমাতে, মুড ভালো রাখতে এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।