রাশিয়ায় গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশির মৃত্যু

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম

রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানির একটি প্রকল্পে গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণের ঘটনায় এক বাংলাদেশি কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। গুরুতর আহত সাত বাংলাদেশি কর্মীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমুর থেকে মস্কোর বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

মস্কোয় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইং থেকে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক অগ্রগতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের অধীন ‘আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্স’ প্রকল্পে গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণের পর বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, নিহতের সংখ্যা ১৫ জন পর্যন্ত হতে পারে। 

বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে বাংলাদেশি কর্মী জাকির হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব এলাকায়।

এ ঘটনায় বাংলাদেশি আরেক কর্মী মো. আলাল হোসেন রাজু, যার বাড়ি মেহেরপুরের গাংনীতে, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। দূতাবাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে কিছু মরদেহ অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়ায় সেগুলো এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে রাজুর মরদেহও থাকতে পারে।

এদিকে, বিস্ফোরণে গুরুতর আহত সাত বাংলাদেশি কর্মীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমুর থেকে মস্কোর বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা মস্কো পৌঁছানোর পর দূতাবাস তাদের চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর রাখবে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

জাকির হোসেনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে কোম্পানিটি। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র প্রস্তুত করছে দূতাবাস।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত