রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে তাদের ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, বিকালে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় চন্দ্র দাস এবং ভাই পার্থ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। মামলার বিভিন্ন বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এর আগেও তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা কালক্ষেপন করে। তাই বাধ্য হয়ে আজকে তাদের নিয়ে আসা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে নগরীর মাছুয়া পাড়ার তালাবদ্ধ বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার হয়। তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরের দিন রবিবার ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় সীমান্ত ও বিদ্যুৎ দাস নামে দুইজন সাক্ষিও আদালতের মাধ্যমে জবানবন্দি দেন।
চার খুনের আসামির পক্ষে লড়বেন না রংপুরের আইনজীবীরা
চার খুনের ‘রহস্য উন্মোচনে বিচার বিভাগীয় তদন্ত’ দাবি নাগরিকদের