বগুড়ায় মানসিক ভারসাম্যহীনের দায়ের কোপে শিশু নিহত

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম

বগুড়ার নন্দীগ্রামে খেলার সময় ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ওই শিশুর নাম আমেনা খাতুন (৭)।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পাঠান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার (২৯ আগষ্ট) বিকেলে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত শিশু আমেনা খাতুন পাঠান গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত যুবক আবু হোসাইনকে (৩৫) আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। আটক আবু হোসাইন একই এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে।

নন্দীগ্রাম থানাপুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে বাড়ির বাইরে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল আমেনা। এ সময় অভিযুক্ত আবু হোসাইন হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ধারালো দা ও লাঠি নিয়ে তার ওপর চড়াও হন। দা দিয়ে কুপিয়ে এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আমেনাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে হত্যাকান্ডের পরপরই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে আবু হোসাইনকে ধরে ফেলে এবং গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত যুবককে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের দাবি, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তবে হত্যাকান্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, আটক যুবককে চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

তিনি সত্যিই মানসিক ভারসাম্যহীন কি না এবং হত্যার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না তদন্তের পর বলা সম্ভব হবে। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত