চট্টগ্রামের চন্দনাইশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদক সেবনজনিত অপরাধে গ্রেপ্তার তিনজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একজনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় এবং অপরজনকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ও শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত চন্দনাইশ থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএমের দিকনির্দেশনায় এবং চন্দননাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস. এম. দিদারুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে চন্দনাইশের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমার পরিচালিত মোবাইল কোর্ট তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে জামিরজুরি আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবুল হাশেমের ছেলে মো. রফিক মিয়াকে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড ও ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পাঠানদন্ডি বরকল ইউনিয়নের বাসিন্দা নুরুছাফার ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম বাবুলকে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, কানাইমাদারি পণ্ডিতের বাড়ি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল সালামের ছেলে মো. বেলালকে (৩২) ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড ও ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এদিকে, একই সময়ে দোহাজারী তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ পৃথক অভিযান চালায়। অভিযানে দোহাজারী পৌরসভার দিয়াকুল এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম প্রকাশ বুগন মিয়ার ছেলে আইয়ুব আলীকে (২২) ধর্তব্য অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া চন্দনাইশ থানা পুলিশের আরেক অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৩)-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. রিফাত হোসেনকে আটক করা হয়। তিনি হাশিমপুর ইউনিয়নের পদ্মা ডেবা, উত্তর হাশিমপুর, পূর্ব ছৈয়দাবাদ এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিমের ছেলে।
চন্দনাইশ থানার ওসি এস. এম. দিদারুল ইসলাম সিকদার জানান, গ্রেপ্তার পাঁচজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
আনোয়ারায় মাদক সেবনের দায়ে চারজনের কারাদণ্ড