ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) চার দিনের সংস্করণ শুরু হচ্ছে আগামী ৩ অক্টোবর। নতুন আঙ্গিকে এবার দুই স্তরে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টটি। এরই মধ্যে গতকাল আটটি বিভাগীয় দলের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে এসব স্কোয়াডে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের রাখা হয়নি। নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাসরা জাতীয় দলের হইয়ে ব্যস্ত থাকবেন। সাত রাউন্ডারের এই লিগে মাত্র দুটি ম্যাচে খেলতে পারবেন তারা।
এ প্রসঙ্গে নির্বাচক প্যানেলের সদস্য নাঈম ইসলাম বলেন, ‘সামনে জাতীয় দলের যে সূচি, সে হিসেবে আমরা দেখেছি, টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা দুই রাউন্ড খেলতে পারবে। এরপর ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের ক্রিকেটাররা চার-পাঁচটি ম্যাচ খেলতে পারবে। মানে তিন সংস্করণের দলে না থাকলে খেলতে পারবে।’
জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও এনসিএল প্রথম একাদশের কোনো দলেই জায়গা হয়নি মাহফুজুর রহমান রাব্বি, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীরর মতো কয়েকজন ক্রিকেটারের। দুই স্তরের লিগের দ্বিতীয় স্তরে খেলবেন তারা। অবশ্য তাদের জন্যও প্রথম স্তরে উঠে আসার সুযোগ থাকছে। তবে একটি ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখে কাউকে প্রথম স্তরের দলে নেওয়া হবে না বলে জানান নাঈম।
পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়ার পরই কোনো ক্রিকেটারকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে দাবি এই নির্বচকের, ‘এক ম্যাচ দিয়ে তো আপনি একজন ক্রিকেটারকে যাচাই করতে পারবেন না। আমরা অন্তত দুই রাউন্ডের চারটি ইনিংস খেলে একজন ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে বিবেচনা করব। তবে বিষয়টি আসতে হবে কোচ ও অধিনায়কের পক্ষ থেকে। তারা যদি জানান যে, আমাদের এই ক্রিকেটারকে দিয়ে হচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে তারা দ্বিতীয় স্তর থেকে আরেকজন নেওয়ার ব্যাপারে জানাবেন। তবে আমি আবারও বলছি, আগে একজন ক্রিকেটারকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হবে।’
এদিকে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় অন্তত ছয় ক্রিকেটারকে আট দলের ঘোষিত স্কোয়াডে রাখা হয়নি। নাঈম জানিয়েছেন, এবার ক্রিকেটারদের ফিটনেসের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল বিসিবি। ফলে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ফিটনেসও এনসিএলের স্কোয়াড নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা হিসেবে এসেছে।