দেশে এলপিজি সংকট নেই, মজুতদারিতে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা

বাংলাদেশ সম্প্রতি পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশ করেছে এবং ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা বিবেচনায় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতার বিকল্পগুলো খোলা রাখা প্রয়োজন।

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক ব্যবহারসংক্রান্ত চুক্তির কারণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রতি পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশ করেছে এবং ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা বিবেচনায় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতার বিকল্পগুলো খোলা রাখা প্রয়োজন। একটি পারমাণবিক প্রকল্প বাস্তবায়নে কেবল কেন্দ্র নির্মাণ নয়; বরং জ্বালানি সরবরাহ, প্রকৌশলী ও কারিগরি জনবলের প্রশিক্ষণের মতো বহুবিধ বিষয় জড়িত থাকে। ফলে প্রয়োজনে একাধিক রাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা বা চুক্তি হতে পারে। বিশ্বরাজনীতিতে নানা বৈরিতা থাকলেও বাংলাদেশ নিজস্ব জাতীয় স্বার্থে চীন, ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কসহ সবার সঙ্গেই প্রয়োজন অনুযায়ী কূটনৈতিক সম্পর্ক ও প্রযুক্তিগত সম্পৃক্ততা বজায় রাখবে।
 

এদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম আসার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারসংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ইউরেনিয়াম যথাসময়েই দেশে পৌঁছাবে এবং এতে কোনো বিলম্ব হবে না। তবে পরিবহনের বিকল্প রুট কিংবা আকাশসীমার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য এই মুহূর্তে তার কাছে নেই।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা স্পষ্ট জানান, বর্তমানে দেশে এলপিজির কোনো ধরনের সংকট নেই। আমদানিকারক ও অপারেটররা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়কে পর্যাপ্ত মজুত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তা সত্ত্বেও কোনো অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অবৈধ মজুতদারির মাধ্যমে জনঅসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত