ফুটবল মাঠে বাজে ট্যাকল বা ফাউলের কারণে কার্ড দেখার ঘটনা নতুন কিছু নয়। তবে প্রতিপক্ষের পায়ের গোড়ালি ছুঁয়ে যাওয়া সুদীর্ঘ চুলে হাত দিয়ে টান দেওয়ায় দুই ডিফেন্ডারের সরাসরি লাল কার্ড দেখার এমন অদ্ভুত ও নজিরবিহীন ঘটনা হয়তো আগে কখনো দেখেনি ফুটবল বিশ্ব।
ঘটনাটি গত রবিবার কনকাকাফ নেশনস লিগের এক ম্যাচের, স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা এবং ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের তলানির দল অ্যাঙ্গুইলা। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২১০তম অবস্থানে থাকা অ্যাঙ্গুইলার ৩৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড এডেন স্কিপিও যখন বদলি হিসেবে মাঠে নামলেন, ততক্ষণে তার দল ৫-০ গোলে পিছিয়ে।
তবে খেলার ফল ছাপিয়ে পুরো স্টেডিয়ামের আলো কেড়ে নেয় স্কিপিওর চোখধাঁধানো রূপ। তার চুলগুলো এতটাই লম্বা যে গোড়ালি ছুঁই ছুঁই অবস্থা! মাঠে নামার আগে তাই কোমরের চারপাশে বিশেষ ব্যান্ড দিয়ে চুলগুলো আটকে রাখতে হয় তাকে।
তবে এই ড্রেডলক যে প্রতিপক্ষের জন্য বড় এক ফাঁদ হয়ে দাঁড়াবে, তা হয়তো ম্যাচের আগে কেউ ভাবেননি। ম্যাচের ৭১ মিনিটে বল দখলের লড়াইয়ে পেরে না উঠে স্কিপিওর সেই লম্বা চুলে সজোরে টান দেন অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার ডিফেন্ডার কিওন গ্রিন। রেফারি বিন্দুমাত্র সময় না নিয়ে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
ম্যাচের নাটকীয়তা তখনো বাকি ছিল। খেলার অন্তিম মুহূর্তে বা যোগ করা সময়ে আবারও একই কাণ্ড ঘটান আরেক ডিফেন্ডার শালন নাইট। স্কিপিওকে আটকাতে এবার সরাসরি তার চুল ধরে পেছনে টান দেন নাইট, যার ফলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন স্কিপিও। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি এবং রেফারি শালন নাইটকেও সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেন। ম্যাচ শেষে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা ৯ জনের দলে পরিণত হলেও ৫-০ গোলের জয় নিশ্চিত করে।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অ্যাঙ্গুইলার নিচে আছে কেবল সান মারিনো। আর অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার আছে ১৬৩তম অবস্থানে।
বাংলাদেশসহ সবার জন্য ২৫,৮৭২ কোটির ফান্ড, মূল্যায়নের নির্দেশ ইনফান্তিনোর