রাজধানীর বাংলামোটরে বিরোধের জেরে এক যুবকের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাত করার পর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের এক বহিষ্কৃত নেতার বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে হাতিরঝিল থানার বাংলামোটর মোড়ের উত্তরপাশের একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত সোহাগকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বাংলামোটর এলাকায় সোহানের ওষুধের দোকান রয়েছে। তার ওপর হামলায় ক্ষুব্ধ ওই এলাকার বাসিন্দারা বাংলামোটরের উত্তর দিকের গলিতে জমায়েত হয়ে ঘটনার প্রতিবাদ জানান এবং হামলাকারীর সন্ত্রাসী কর্মকা- নিয়ে কথা বলেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর স্থানীয়রা হাতিরঝিল থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহাম্মেদ সাইমনের মোটরসাইকেল আটক করে ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় স্থানীয়দের সাইমনের বিরুদ্ধে সেøাগান দিতে শোনা যায়।
আহত সোহাগ নিউ ইস্কাটনের বাসিন্দা। তার বাবা মৃত শামসুদ্দিন। সোহাগ অভিযোগ করে বলেন, বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোহাম্মদ সায়মন কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে বাংলামোটরে আমার পথরোধ করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সায়মন পিস্তলের বাঁট দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে। এতে আমার মাথা ফেটে রক্ত বের হতে থাকে।
জানা গেছে, একপর্যায়ে সায়মন দুটি ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। হাতিরঝিল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সাইমন দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয়রা তার মোটরসাইকেলটি আটক করে ভাঙচুর করে। পরে তারা মোটরসাইকেলটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে বলেও তিনি জানান। এদিকে গতকাল রাত ১২টার দিকে সায়মন ও তার দুই সহযোগীকে আটক করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।