ডাস্ট অ্যালার্জি কখন বাড়ে

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৭ এএম

বায়ুদূষণের ফলে ধুলার অ্যালার্জির ঝুঁকিতে থাকে। আর শরীর যখন কোনো কিছুর ওপর অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়, তখন অ্যালার্জির সৃষ্টি হয়। ডাস্ট অ্যালার্জি কেবল ধুলার কারণেই নয়, ঘরের ভেতরে এবং আশপাশে উপস্থিত কিছু জিনিসের কারণেও হতে পারে। এতে শরীরে চুলকানি ও লাল ফুসকুড়ি বের হয়। এমনকি বমিও শুরু হয়। যাদের ধুলায় অ্যালার্জি আছে, তাদের ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা কষ্টকর। এ সময় যদি নাকে ধুলাবালি লাগে, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত চলতে শুরু করে এবং নাক- চোখ থেকে পানি আসতে শুরু করে। হালকা ধোঁয়ায়ও শ্বাস নিতে কষ্ট এবং কাশি শুরু হয়।

কারণ

ডাস্ট অ্যালার্জির সবচেয়ে বড় কারণ হলো মাইট, যাকে ডাস্ট মাইট বলে। এগুলো ছাড়াও অন্য কারণগুলো, যা ধুলাতে অ্যালার্জি সৃষ্টি করে তাহলো তেলাপোকা দ্বারা নির্গত ক্ষতিকর অ্যালার্জেন (ব্যাকটেরিয়া) অ্যালার্জি সৃষ্টি করে। ছাঁচ হলো পরিবেশে উপস্থিত এক ধরনের ছত্রাক। বাড়ির ভেতরে বা বাইরে যাই হোক না কেন, সর্বত্র কিছু ছাঁচ উপস্থিত থাকে। এগুলো বাতাসে এবং অনেক পৃষ্ঠে পাওয়া যায়। যেখানে আর্দ্রতা আছে সেখানেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটিও অ্যালার্জির কারণ। কুকুর এবং বিড়ালের মতো পোষা প্রাণীর চুল ও খুশকিতেও ডাস্ট অ্যালার্জি হয়। ফুলের পরাগরেণু নাক এবং গলায় প্রবেশেও অ্যালার্জি হতে পারে। এ ছাড়া গাছে ফুলের পরাগ গন্ধ নিলেও অ্যালার্জি হয়।

লক্ষণ

হাঁচি, ঘন ঘন সর্দি এবং নাক বন্ধ হওয়া, ক্লান্তি এবং দুর্বলতা, চোখ ফুলে যাওয়া, কাশি, চোখ, নাক এবং গলায় চুলকানি, লাল ও পানিপূর্ণ চোখ, চোখের নিচে কালো দাগ, হাঁপানির মতো লক্ষণ, কান আটকে যাওয়া এবং গন্ধ হ্রাস ও গলা ব্যথা, ক্লান্তি এবং বিরক্তি লাগা, মাথাব্যথা, চামড়ার ওপর ফুসকুড়ি ওঠা।

চিকিৎসা

ডাস্ট অ্যালার্জি কী কারণে হয় তা খুঁজে বের করতে হবে। যেমন স্কিন অ্যালার্জি টেস্ট, ব্লাড টেস্ট ইত্যাদি। এ ছাড়া চুলকানি, অনবরত হাঁচি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা চোখ থেকে পানি ঝরতে থাকলে অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেলে আরাম পাওয়া যায় স্টেরয়েড জাতীয় নাকের স্প্রে ব্যবহার করে নাকের ভেতরের ফোলাভাব কমানো যায়। নাক বন্ধ হয়ে থাকলে স্যালাইন সল্যুশন দিয়ে নাক পরিষ্কার করতে হবে। সমস্যা না কমলে ত্বকবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত