আওয়ামী লীগ-বিরোধী দল আঁতাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির দাবি, রাষ্ট্রের কাছে এই ধরনের তথ্য থাকার পর শুধু জনসভায় বক্তব্য দেওয়া বা জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। বরং এদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হয়।
গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, দেশের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে এক জনসভায় পতিত স্বৈরাচার ও বিরোধী দলের আঁতাতের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছেন, তা জনমনে উদ্বেগ তৈরি করার জন্য যথেষ্ট। তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে’ তারা জানতে চান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি সেটিও জানতে চান তিনি।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, পতিত স্বৈরাচার দেশে ফিরতে চাইবে এটা অনুমান করা যায়। তাদের প্রত্যাবর্তন রোধ করতে দুটি কাজ জরুরি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, স্বৈরতন্ত্রের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা এবং স্বৈরতন্ত্র রোধে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা। কিন্তু এই সরকার তার কোনোটিই করেনি। উপরন্তু স্বৈরাচারের সঙ্গে আঁতাত করে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির সংবাদেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না এটা জাতিকে উদ্বিগ্ন করে।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের থেকেও কোনো প্রতিবাদ আসেনি দাবি করে গাজী আতাউর রহমান বলেন, এটাও প্রশ্ন তৈরি করছে। তাদের উচিত নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করা।