সম্পদের বিনিময়ে ধর্ষণ মামলা থেকে মুক্তি চান শিক্ষক

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

নেত্রকোনার মদনে ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভবতী করার মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর মামলাটির রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুছ সালামের আদালতে যুক্তিতর্ক শেষে এ দিন ধার্য করা হয়।

শুনানির সময় বিচারকের প্রশ্নের জবাবে আসামি শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর জানান, তার মাত্র ১২ শতাংশ জমি রয়েছে। এ সময় তিনি নিজের জমিসহ জীবনের সব সম্পদের বিনিময়ে মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুতি জানান। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী আনিসুর রহমান আপসের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বিচারক তা নাকচ করে দেন।

শুনানিতে বিচারক ঘটনাস্থলের আশপাশে সিসি ক্যামেরা ছিল কি না, তা জানতে চান। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. নূরুল কবীর রুবেল আদালতকে জানান, শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল।

এর আগে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী শিশুর জন্ম দেওয়া নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক সাগরের ডিএনএর ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদনকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এ ছাড়া পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. নূরুল কবীর রুবেল বলেন, মামলার রায়ের আগে গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়া হিসেবে বুধবার যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে সব নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। মামলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পেরেছেন বলে তারা মনে করেন। আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত