রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি সংবিধানে রাষ্ট্রের চরিত্র, শাসনব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার ও ক্ষমতার কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু গত ৫৪ বছরে রাজনৈতিক পালাবদল, সামরিক শাসন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সংবিধান বারবার সংশোধিত হয়েছে। এ পর্যন্ত সংবিধানে ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। কিন্তু এই সংশোধন রাষ্ট্রের পরিবর্তন নাকি ক্ষমতার রাজনীতির জন্য তা নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর থেকে পাঁচ দশকে সংবিধানের এই কাটাছেঁড়া নিয়ে নানা আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্ক উঠেছে সবসময়ই।
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের সংবিধানের সবশেষ সংশোধনীটি হয়েছিল ২০১৮ সালের ৮ জুলাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সময়ে। ওই সংশোধনীতে জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসন পরবর্তী ২৫ বছরের জন্য বহাল রাখা হয়। সংবিধানের সংশোধন কিংবা সংস্কারের প্রক্রিয়া আবারও শুরু হচ্ছে। আলোচনা ও বিতর্কও সামনে আসছে সমানতালে। সংবিধান সংশোধন কিংবা সংস্কার নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ঐকমত্যে যেতে পারেনি।
এমন পরিস্থিতিতে আজ ৪ নভেম্বর পালিত হবে সংবিধান দিবস। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ওই বছর ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। সংবিধান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা পরিচালনাসহ নাগরিকের মৌলিক অধিকারের বিষয় সমন্বিত সর্বোচ্চ দলিল। তবে রাজনৈতিক টানাপড়েনে সাংবিধানিক শাসনের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকরা বলেন, সংবিধান সংশোধনী রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ও আইনি প্রয়োজন মেটানোর জন্য করা হলেও বেশ কয়েকটি সংশোধনী রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা ও ক্ষমতার বিন্যাসে বড় পরিবর্তন এনেছে। কোনোটি সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়েছে, কোনোটি তা বদলে দিয়েছে, কোনোটি নির্বাচনী ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনেছে।
সংবিধানের ১৭টি সংশোধনী পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, নির্বাচন, বিচার বিভাগ, নাগরিক অধিকার ও সংসদীয় প্রতিনিধিত্বে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। কিছু সংশোধনী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে, আবার কিছু সংশোধনী ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালু ও বাতিল দুই সিদ্ধান্তই নির্বাচনী ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দীর্ঘ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেওয়া এবং পরে তা বাতিল হওয়ার ঘটনাও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে মতামত রয়েছে।
এদিকে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর সংবিধান সংস্কারের প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে। ২০২৫ সালে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ এবং ২০২৬ সালের গণভোটের পর সংবিধান সংশোধনের নতুন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংসদে গঠিত বিশেষ কমিটি সংস্কার নিয়ে কাজ করছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়িত হলে সংবিধানে ১৮তম সংশোধনী যুক্ত হতে পারে। বিশেষ কমিটির আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও মেয়াদের সীমা, রাষ্ট্রপতির ভূমিকা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, গণভোটের বিধান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রক্রিয়া পর্যালোচনার বিষয় এসেছে। এ ছাড়া দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ বা উচ্চকক্ষ গঠন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা বৃদ্ধি, ৭০ অনুচ্ছেদের পরিবর্তন এবং স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।
সংবিধানের প্রস্তাবনা, ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ অনুচ্ছেদসহ বিভিন্ন বিধান পরিবর্তনের প্রস্তাবও আলোচনায়। তবে এসব প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত সংশোধনী বিল নয়। কোন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে, তা রাজনৈতিক ঐকমত্য, বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন এবং সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়ার কথা। বিশেষ কমিটি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন সংসদে জমা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশোধনী বিল প্রস্তুত করে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে প্রথম অধিবেশনে উত্থাপনের পরিকল্পনার রয়েছে। তবে এখনো ঘোষিত পরিকল্পনা, সংশোধনীর চূড়ান্ত বিষয়বস্তু নির্ধারিত হয়নি।
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট : ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর সংবিধানসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করা হয়। সনদে রাষ্ট্র পরিচালনা, নির্বাচন, সংসদ, বিচার বিভাগ, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও মৌলিক অধিকারসংক্রান্ত সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সনদের ৮৪টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৮টি বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন বলে আলোচনায় উঠে আসে। ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি করা হয়। এতে গণভোট এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের ৬৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট ছিল। গণভোটের ফলের পর সংস্কার বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য সামনে আসে।
সংসদীয় কমিটি ও বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিরোধ : ২০২৬ সালের ১৩ জুলাই জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি করা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও সংস্কার বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার এবং বিরোধী পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। বিরোধী দলগুলোর একাংশের দাবি, গণভোটে অনুমোদিত বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে।
সংবিধান সংশোধন কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ইতিমধ্যে বিভিন্ন পেশার মানুষ কমিটিতে মতামত দিয়েছেন। এসব মতামত ও জুলাই সনদ সব একসঙ্গে নিয়ে আমরা বসব এবং আমরা চাই বিরোধী দলও অংশ নিয়ে তাদের মতামত উপস্থাপন করুক। তিনি বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্য সংসদে উপস্থাপনের জন্য সমাপ্ত করতে পারব। জানুয়ারির মধ্যে কমিটির মতামত বা সুপারিশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদ যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই হবে সংবিধান সংশোধনের মূল চাবিকাঠি।’ তবে কী ধরনের সংশোধনী আসবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলতে অপারগতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের যেগুলো আইনের মধ্যে পড়ে, সেগুলো বিচার বিশ্লেষণ করা হবে। জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন যাতে এখানে ঘটে, আমরা সে চেষ্টাই করব।’ গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের বিষয়টির অবস্থান কী হবে এমন প্রশ্নে অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন বলেন, ‘এখন তো সংসদীয় সরকারব্যবস্থা। সংসদ সার্বভৌম। যেখানে সংসদ সার্বভৌম, সেখানে কি গণভোটের দরকার হয়?’
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও দলটির শীর্ষ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির মনে করেন, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৬৬ ধারা অনুযায়ী, বিএনপি এ ধরনের কমিটি গঠন করতে পারেন না। সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে গণভোট হয়েছে। এখন জুলাই সনদ ও গণভোটের আলোকেই সংবিধান সংস্কার করতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এটি শুধু একটি দলের (জামায়াতে ইসলামী) চাওয়া নয়। জনগণের চাওয়া।’ তিনি বলেন, ‘সংবিধানের সংস্কার রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ ও গণভোটের ভিত্তিতে হওয়া হওয়া উচিত। কোনো একটি দলের (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা একক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তা হবে না। এটি হলে ভবিষ্যতে নিশ্চিতভাবে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকট দেখা দেবে।’
আলোচনার কেন্দ্রে তত্ত্বাবধায়ক সরকার : ২০১১ সালের জুনে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাসের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনসংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা, গণভোট বাতিল, সংবিধানে জাতীয় চার মূলনীতিসহ ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক ও সংবিধান বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই একটি সিদ্ধান্তেই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, যা প্রতিফলিত হয় আওয়ামী লীগ সরকারের তিনটি নির্বাচনে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এক রিট আবেদনের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে একই বছরের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল বলে রায় দেয়। তবে রায়ে ওই সংশোধনী আইনের পুরোটা বাতিল না করে বাকি বিধানগুলোর বিষয়ে পরবর্তী জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও উচ্চ আদালতে তত্ত্বাবধয়াক সরকারব্যবস্থার বিষয়টির চূড়ান্ত সুরাহা হয় ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ের পর।
২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনী (যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত) বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে উদ্ভূত আপিল মঞ্জুর ও এ সংক্রান্ত রিভিউ (রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন) নিষ্পত্তি করে রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করে। রায়ে বলা হয়, ‘ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়টি ছিল কলঙ্কিত।’ এ রায় অনুযায়ী, চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে। ইতিমধ্যে চলতি বছরের ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পঞ্চদশ সংশোধনী মামলা নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে জয়লাভ করে বিএনপি। সরকারের মন্ত্রীরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে পরবর্তী নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও সেই সরকারের রূপরেখা কেমন হবে, কীভাবে এটি গঠন হবে সে বিষয়টি অদ্যাবধি স্পষ্ট হয়নি। পাশাপাশি সংশোধনের ধরন নিয়ে টানাপড়েনও রয়েছে বিরোধী দল জামায়াতের সঙ্গে। এ ক্ষেত্রে জয়নুল আবেদিন বলেন, ‘আমরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে এ বিষয়ে একটা সমাধানে পৌঁছাব। সে ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী এ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে পারে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত ৫৪ বছরেও দেশের সাংবিধানিক শাসনের যে প্রত্যাশা, সেটি পূরণ হয়নি। সাংবিধানিকভাবে সরকারের পরিবর্তন হয়নি। তিনি বলেন, ‘এই দেশে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো ঘটনাও ঘটানো হয়েছে সাংবিধানিক দোহাই দিয়ে। ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর যে প্রত্যাশা ছিল গত ৮ মাসে সেটিও হতাশাজনক। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে এমন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না।’ শরীফ ভূঁইয়া বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারে বিরোধী দল অংশ নেবে কি নেবে না এর চেয়েও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ এ বিষয়ে বিএনপি কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেটি। কিন্তু তাও স্পষ্ট হচ্ছে না।’