‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে মানিকগঞ্জের তরুণ উদ্যোক্তা বাছাই শুরু কাল

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০১ পিএম

তৃণমূল পর্যায়ে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ কর্মসূচি ‘উদ্যোগ’-এর আওতায় মানিকগঞ্জ জেলার উদ্যোক্তা বাছাই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। 

রবিবার (৮ নভেম্বর) থেকে তিন দিনব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও করপোরেট ব্যক্তিত্বরা মূল্যায়ক হিসেবে অংশ নেবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এ বাছাই কার্যক্রমে মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার আবেদনকারী তরুণ উদ্যোক্তাদের সাক্ষাৎকার ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা মূল্যায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে অর্থায়নের জন্য সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা নির্বাচন করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাছাই কার্যক্রমে দেশের পরিচিত ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা অংশ নেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, মোহাম্মদী গ্রুপের চেয়ারম্যান রুবানা হক, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমান, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান।

এ ছাড়া মূল্যায়ক হিসেবে থাকবেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাসের এজাজ বিজয়, অন্যরকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদুল হাসান সোহাগ এবং পাঠাও লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির পূর্ণরূপ ‘উপজেলা-ড্রিভেন ইয়ুথ অপরচুনিটি ফর গ্রোথ’। এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো উপজেলা পর্যায় থেকে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজে বের করা, তাদের ব্যবসায়িক উদ্যোগের মূল্যায়ন করা এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়নের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা। একই সঙ্গে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করাও এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।

প্রথম পর্যায়ে আটটি জেলায় এ কর্মসূচির আওতায় উদ্যোক্তা অনুসন্ধান ও বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ জেলার চূড়ান্ত বাছাই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রথম পর্যায়ের আট জেলার বাইরে দেশের বাকি ৫৬ জেলায় গত ১ নভেম্বর থেকে উদ্যোক্তা অনুসন্ধান ও আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আশা, তৃণমূল পর্যায়ের সম্ভাবনাময় তরুণদের ব্যবসায়িক ধারণা ও উদ্যোগকে যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে অর্থায়নের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত