রমজানে নিত্যপণ্যের আমদানি ঋণপত্রে নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন রাখার নির্দেশ

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি সহজ করতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর আমদানিতে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এ সুবিধা দিতে বলা হয়েছে।

রবিবার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, আগামী পবিত্র রমজান মাসে এসব পণ্যের চাহিদা বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমদানি সহজীকরণের মাধ্যমে বাজারে মূল্য সহনীয় রাখা এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, সয়াবিন ও পাম তেল, চিনি, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর আমদানির ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে হবে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, এর আগে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নম্বর ৪১-এর মাধ্যমে কয়েকটি পণ্য আমদানির ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর জারি করা সার্কুলার লেটার নম্বর ২৪-এর মাধ্যমে রমজান উপলক্ষে কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই নির্দেশনার মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষ হয়।

নতুন নির্দেশনাটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং আগামী ১৫ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত