থ্রি ইডিয়টসের সেই প্রকৌশলী আসলে কে

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১১:৩৭ পিএম

থ্রি ইডিয়টস সিনেমায় রানছো চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিলেন বলিউড তারকা আমির খান। তার ওই চরিত্র কি পুরোটাই কাল্পনিক নাকি রানছোর মতো চিন্তাভাবনার মানুষ আসলেই পৃথিবীতে আছেন? লিখেছেন তৃষা বড়ুয়া

কাল্পনিক নয়

২০০৯ সালে থ্রি ইডিয়টস নামে ভারতীয় এক চলচ্চিত্র বেশ আলোড়ন তোলে। ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের ওপর কী পরিমাণ মানসিক চাপ প্রয়োগ করে তাই ছিল সিনেমার বিষয়বস্তু। চেতন ভগতের উপন্যাস ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান থেকে কিছু অংশ নিয়ে ব্যঙ্গাত্মকভাবে শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি। থ্রি ইডিয়টসে বলা হয় তিন তরুণের কথা যারা ভারতের এক নামকরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র। সমাজের দৃষ্টিতে এই তিন তরুণ ঠিক চালাক-চতুর বা বাস্তববাদী নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আর সব ছাত্রের মতো ভালো নম্বর পেয়ে মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরি পাওয়ার প্রতিযোগিতায় তারা নামেননি। থ্রি ইডিয়টসের কেন্দ্রীয় চরিত্র রানছোদ্দাস শামালদাস ছানছার ওরফে রানছো মনে করেন, মুখস্থ করে কখনো কিছু সৃষ্টি করা যায় না। মুখস্থবিদ্যা শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর। গ্রেড সিস্টেমেরও পরিপন্থী সে। তার মতে, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে। রানছোরের মধ্যে সার্টিফিকেট পাওয়ার চেয়ে শেখার আগ্রহ ছিল বেশি। রানছোরের এসব চিন্তার সঙ্গে স্বভাবতই তার কলেজের শিক্ষক বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. ভিরু সাহাসত্রাবুদ্ধি একমত ছিলেন না। এ কারণে ভিরুর সঙ্গে রানছোরের প্রায়ই ঠোকাঠুকি লাগত। কাহিনীর একপর্যায়ে দেখা যায়, ভারতের উত্তরে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখে রানছোরের তত্ত্বাবধানে স্কুলের শিশুরা বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি শিখছে। লবণ-পানি-বিদ্যুৎ বেশ ভালোভাবে পরিবহন করে এটি লাদাখের ওই শিশুরা মুখস্থ করে জানেনি। বৈজ্ঞানিক ওই সত্য সম্পর্কে তাদের ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে প্রাপ্ত জ্ঞান অন্য একজনের ওপর প্রয়োগ করে তাকে নাস্তানাবুদ করতেও তাদের দেখা যায়। একই সঙ্গে দর্শকরা জানতে পারেন, রানছোরের প্রকৃত নাম ফুনসুখ ওয়াংডু। বিশেষ কারণে তাকে নাম পাল্টে স্কুল-কলেজে ভর্তি হতে হয়েছিল। অনেকে জেনে অবাক হবেন, ফুনসুখ ওয়াংডু পুরোপুরি কাল্পনিক কোনো চরিত্র নয়। লাদাখে সোনম ওয়াংচুক নামে এক প্রকৌশলী আছেন, যার চিন্তাচেতনার ওপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয় ফুনসুখ ওয়াংডু চরিত্র।

কে এই প্রকৌশলী

১৯৬৬ সালে লাদাখের লেহ জেলার উলেতোকপো গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সোনম। তার বাবা সোনম ওয়ানগিয়াল রাজনীতিবিদ ছিলেন। ওই সময় উলেতোকপো গ্রামে কোনো স্কুল ছিল না। এ কারণে মায়ের কাছে মাতৃভাষায় লেখাপড়া শেখেন সোনম। তার বয়স যখন ৯, সে সময় তার বাবা তাকে শ্রীনগরে নিয়ে যান। সেখানে এক স্কুলে তাকে ভর্তি করানো হয়। শ্রীনগরের স্কুলে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হন সোনম। তিনি দেখতে ক্লাসের অন্য শিশুদের চেয়ে আলাদা ছিলেন। এ ছাড়া তার সঙ্গে তারা যে ভাষায় কথা বলত, তা তিনি বুঝতেন না। সোনমকে প্রশ্ন করা হলে সেসবের উত্তর দিতে স্বাভাবিকভাবেই তার দেরি হতো। এ কারণে স্কুলের সবাই তাকে বোকা ভাবত। ওই সময়কে জীবনের সবচেয়ে কালো অধ্যায় হিসেবে পরবর্তী সময়ে অভিহিত করেছিলেন সোনম। ১৯৮৭ সালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, শ্রীনগর থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করেন সোনম। তার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনায় সমর্থন ছিল না তার বাবার। এ নিয়ে বাবার সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হতো। এ কারণে নিজের অর্থে স্নাতক করেছিলেন সোনম। স্থাপত্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে অনেক পরে ২০১১ সালে দুই বছরের জন্য ফ্রান্সে যান তিনি।

প্রকৌশলী থেকে শিক্ষক

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, শ্রীনগর থেকে স্নাতক পাস করার পর একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বড়সড় কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করবেন, এটাই স্বাভাবিক। সোনম অবশ্য এই স্বাভাবিক পথে হাঁটেননি। যন্ত্র প্রকৌশলী হিসেবে কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগ না দিয়ে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ১৯৮৮ সালে লাদাখের লেহ জেলা থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে স্টুডেন্টস এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল মুভমেন্ট অব লাদাখ (এসইসিএমওএল) নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন সোনম। তার ভাষ্য, ওই প্রতিষ্ঠান সেসব শিক্ষার্থীকে নিয়ে গড়ে তোলা হয় যারা লাদাখে এক অদ্ভুত শিক্ষাব্যবস্থার শিকার হয়েছিল। সোনমের প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি সৌরশক্তির ওপর নির্ভরশীল। কৃত্রিম আলো, রান্নাবান্না বা কোনো কিছু গরম করার কাজে সেখানে কোনো ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করা হয় না। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগে তাত্ত্বিক জ্ঞানের চেয়ে ব্যবহারিক জ্ঞানের ওপর জোর দেওয়া হয় বেশি।

পরিবেশবান্ধব এসইসিএমওএল ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সবাই গোসলের সময় সোলার ওয়াটার হিটার ব্যবহার করেন। এই ক্যাম্পাসের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর ভবনগুলো। এসব ভবন শীতকালে কনকনে ঠাণ্ডা এমনকি মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়ও উষ্ণ থাকে। এটি সম্ভব হয়েছে প্যাসিভ সোলার হিটিংয়ের মাধ্যমে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসের সবাই চেষ্টা করেন, যতটা সম্ভব নিজেদের খাদ্য নিজেরাই উৎপাদন করতে। তারা ক্যাম্পাসের খামারের গরুর গোবর সার হিসেবে ব্যবহার করেন। জমিতে কখনোই তারা রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করেন না।

আইস স্তুপা

হিমবাহ গলা পানির সাহায্যে কৃষিকাজ করেন লাদাখের কৃষকরা। তবে এপ্রিল ও মে বছরের এই দুই মাস হিমবাহের বরফ গলতে শুরু না করায় পানির সংকটে ভোগেন তারা। এ সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে আইস স্তুপা নামে এক প্রকল্পে হাত দেন সোনম। মাসখানেকের মধ্যে কৃষকদের সমস্যা নিরসনে সক্ষম হন সোনম ও তার দল। তারা আইস স্তুপা নামে এক স্থাপনা নির্মাণ করেন যেখানে দেড় লাখ লিটার পর্যন্ত নদীর পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব। ওই পরিমাণ পানি শীতকালে সংগ্রহ করা হয় কারণ ওই সময়ে পানির ব্যবহার বছরের অন্য সময়ের তুলনায় কম হয়।

২০১৫ সালে লাদাখে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে লাদাখের জান্সকার অঞ্চলের ফুগটাল নদীর পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এক হ্রদের সৃষ্টি হয়। হ্রদটি ভাটি অঞ্চলের মানুষের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। সে সময় ওই অঞ্চলের কর্র্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, হ্রদটিতে বিস্ফোরণ ঘটাবেন। সোনম তাদের ওই পরিকল্পনা সমর্থন না করে বলেছিলেন, বিস্ফোরণে উল্টো ক্ষতি হবে। তার চেয়ে সাইফোন টেকনিক ব্যবহার করে হ্রদের পানি সরিয়ে ফেলাই উত্তম। তার পরামর্শ আমলে নেওয়া হয়নি। কর্র্তৃপক্ষ তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করে এবং এর ফলে ২০১৫ সালের মে মাসে ওই অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ১২টি সেতু ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি পানির নিচে ডুবে যায়। ওই ঘটনার এক বছর পর উচ্চ উচ্চতার হিমবাহ সৃষ্ট হ্রদ এলাকায় দুর্যোগ মোকাবিলায় আইস স্তুপা টেকনিক ব্যবহার করা শুরু করেন সোনম। সিকিম রাজ্যের একটি ঝুঁকিপূর্ণ হ্রদ এলাকায় সাইফোন টেকনিকের মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সে সময় তাকে আহ্বান জানিয়েছিল রাজ্যটির সরকার। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে একটি দল নিয়ে সিকিমের উত্তর-পশ্চিমে সাউথ লোনাক হ্রদ এলাকায় তিন সপ্তাহ অবস্থান করেন সোনম। কয়েক বছর আগে ওই অঞ্চল ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেছিল সিকিম সরকার। সাউথ লোনাক হ্রদের পাশে তীব্র বৃষ্টি ও বরফের মধ্যে দুই সপ্তাহ কাজ করে সোনমের নেতৃত্বাধীন দল। দুই সপ্তাহ পর তারা সেখান থেকে হ্রদের পানি সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হন। তাদের ওই কাজ আকৃষ্ট করে বিদেশিদের। সুইজারল্যান্ডের এনগাডিন উপত্যকায় আইস স্তুপা নির্মাণের জন্য সোনম ও তার দলকে সে সময় আমন্ত্রণ জানানো হয়। ২০১৬ সালের অক্টোবরে কয়েকজনকে নিয়ে সোনম সুইস আল্পসে যান এবং আইস স্তুপা বানানো শুরু করেন। সুইস অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে তারা যে আইস স্তুপাটি নির্মাণ করেছিলেন, সেটিই ছিল ইউরোপের প্রথম আইস স্তুপা। সোনমের কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লাদাখের একদল তরুণ ভাস্কর ও শিল্পী ১০ ফুট উচ্চতার আইস স্তুপা তৈরির কাজে হাত দেন। প্রকল্পটি শেষ করতে তারা টানা ২৫ দিন কঠোর পরিশ্রম করেন। কাজটি করতে গিয়ে শিল্পী-ভাস্কর নিয়ে গঠিত সেই দলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল অত্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে কাজ করা। মাইনাস ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রায় এক মাস ধরে কাজ করে তারা অদ্ভুত সুন্দর এক আইস স্তুপা নির্মাণ করেন, যার পুরোটাই বরফের।

পাঁচ দিনের অনশন

১৯৮৭ সালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, শ্রীনগর থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর থেকে এখন পর্যন্ত সোনম যাই কিছু করেছেন, তার সবই প্রাণ-প্রকৃতিকে বিবেচনায় রেখেই। প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে কোনো কিছু সৃষ্টির পক্ষে তিনি নন। এটি তার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্টুডেন্টস এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল মুভমেন্ট অব লাদাখের (এসইসিএমওএল) দিকে তাকালে স্পষ্ট বোঝা যায়। তিনি চান, তার মতোই লাদাখের শিশু-কিশোর-তরুণরা প্রকৃতিকে ভালোবাসুক, আত্মবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকুক। লাদাখ ও তার আশপাশের অঞ্চলে তাই কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড দেখলে মর্মাহত হন সোনম। সম্প্রতি সোনম ওয়াংচুককে নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২৬ জানুয়ারি থেকে লাদাখের লেহ জেলার গিরিপথ খারডুং লা-য়ে অনশনে বসেন সোনম। চলে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। সোনমের পাঁচ দিনের অনশন চলাকালে ওই এলাকার তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র ঠাণ্ডার মধ্যে সোনমের মতো বিখ্যাত প্রকৌশলী ও উদ্ভাবকের অনশনে বসার কারণ কী? ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, লাদাখের বেশ কিছু সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তিনি অনশন শুরু করেন। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটিতে সাম্প্রতিক বছরে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড আগের চেয়ে অনেক বেড়ে যাওয়ায় মানুষের জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করেন এই প্রকৌশলী। এ কারণে অনশনের সময় ভারত সরকারের কাছে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানান তিনি। সোনম জানান, লাদাখের হিমবাহ উদ্বেগজনক হারে গলছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে তীব্র পানিসংকটে ভুগবে ভারতের ওই অঞ্চলের মানুষ। ব্যাহত হবে কৃষিকাজ। অনশন চলাকালে তিনি বলেন, ‘এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়া হলে লাদাখে শিল্পকারখানা, পর্যটনশিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের আরও সম্প্রসারণ ঘটবে এবং একপর্যায়ে এগুলো এখানকার ধ্বংস ডেকে আনবে। কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি গবেষণা সংস্থা তাদের সাম্প্রতিক গবেষণাপত্রে বলেছে, প্রকৃতিবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড না থামানো হলে লাদাখের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হিমবাহ বিলুপ্ত হতে খুব বেশি সময় নেবে না। মহাসড়ক ও উন্নয়ন প্রকল্প ঘিরে যেসব হিমবাহ আছে, সেগুলো তুলনামূলকভাবে দ্রুত গতিতে গলছে।’ সোনম আরও বলেন, ‘ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রই কেবল বৈশ্বিক উষ্ণতার জন্য দায়ী নয়। আমরাও দূষণ ও কার্বন নিঃসরণের মাধ্যমে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছি। লাদাখের মতো অঞ্চলে পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে এবং তখনই কেবল হিমবাহ রক্ষা পাবে। উপকৃত হবে লাদাখসহ আশপাশের অঞ্চলের মানুষ।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত