ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের আওতাধীন এমআরটি লাইন-৫ (হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা) নির্মাণকাজের উদ্বোধন করতে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত ছয়টি হলও উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তার। এজন্য প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আবু হাসান বলেন, অনুষ্ঠানটি মূলত সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হবে। তাদের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে যতটুকু সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে আমরা করছি। কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ পরিষ্কারের কাজ করছি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় ঝোপঝাড় ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যবস্থা করছি।
অনুষ্ঠানের দিন নিরবিচ্ছিন্ন ও উচ্চগতিসম্পন্ন বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বৈদেশিক যন্ত্রাংশ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩ কিলোভোল্ট, ১১ কিলোভোল্ট ও ৪৪০ ভোল্টের কম মাত্রার এলটি (লো টেনশন) লাইনের সংরক্ষণের কাজ চলছে।
কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ পরিষ্কার করে সেখানে মঞ্চ ও ছাউনি তৈরি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও সকল অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট, হল ও অফিসের চারদিকের ঝোপঝাড় ও আগাছা কেটে পরিষ্কার করা হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আসবেন সেটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান। সরকারি কর্তৃপক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে যে ধরনের সহযোগিতা চাচ্ছে আমরা সেগুলো দেওয়ার চেষ্টা করছি। গতকাল মঙ্গলবার থেকে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে। অনুষ্ঠানের দিন মানুষের প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ নির্দিষ্ট করার জন্য ম্যাপ তৈরির কাজ চলছে। গাড়ি রাখার স্থান প্রস্তুত করার পরিকল্পনা চলছে, এক বা দুই দিনের মধ্যে আমরা চূড়ান্ত করতে পারব বলে আশা করছি।’