একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন আসনে মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদা জিয়ার পক্ষে রিট আবেদনটি করেন তার আইনজীবী কায়সার কামাল ও নওশাদ জমির।
পরে এ বিষয়ে কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাননি। তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়েছে। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে এটি উপস্থাপন করা হয়েছে। আশা করি সোমবার এর ওপর শুনানি হবে।
খালেদার আইনজীবী আরও বলেন, রিট আবেদনে আমরা উল্লেখ করেছি, যেভাবে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, সেটি আইনসংগত হয়নি। শুনানিতে বিস্তারিত উল্লেখ করব। খালেদা জিয়া উচ্চ আদালত থেকে ন্যায়বিচার পাবেন বলে আমরা মনে করি।
নির্বাচনে লড়তে বগুড়া ৬ ও ৭ এবং ফেনী-১ আসন থেকে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করা হয়। শনিবার নির্বাচন ভবনে শুনানি শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে খালেদার আপিল খারিজ করে দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ৪ জন কমিশনার। তবে অপর কমিশনার মাহবুব তালুকদার তার প্রার্থিতা বহাল রাখার পক্ষে মত দেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।
