ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ‘স্টুপিড মহিলা’ বলে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরমি করবিন।
করবিন আসলেই মেকে ‘স্টুপিড’ বলেছেন কিনা সেটি নিয়ে ব্রিটেনে আলোচনা তুঙ্গে। করবিন বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তিনি মে-কে ওই কথা বলেননি। তবে ‘স্টুপিড পিপল’ বলেছেন।
‘প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চলার সময় আমি তাদের কথাই বলছিলাম, যারা দেশের এই সংকট নিয়ে চলা একটি বিতর্ককে কৌতুকে পরিণত করতে চাইছে। সেই সব লোককে আমি স্টুপিড পিপল বলেছি” কমন্সে দাবি করেন করবিন।
থেরেসা মের বেক্সিট (ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বিচ্ছেদ) চুক্তি নিয়ে জেরেমি করবিনের সঙ্গে প্রথম সংঘাত শুরু হয় গত সপ্তাহে। সংসদীয় ভোট পিছিয়ে দেওয়াকে ‘স্বার্থপর কৌশল’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। মেকে ব্যর্থ প্রধানমন্ত্রীও বলেন তিনি।
করবিন ‘স্টুপিড মহিলা’ বলেছেন কিনা সেটি নিয়ে থেরেসা মেও সন্দিহান। হিথ্রো বিমানবন্দরে সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “করবিন আসলে কী বলেছেন? স্টুপিড উইমেন, নাকি স্টুপিড পিপল?”
অভিযোগটি ওঠার পর হাউজ অব কমন্সের স্পিকার জন বারকোও স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না। তিনি সেই ভিডিও পরীক্ষা করে দেখেছেন, যেখানে মাইক্রোফোনে কোনো শব্দ আসেনি।
আদালতে যারা ঠোঁটের ভাষা অনুবাদের কাজ করেন, এমন একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নিয়েছেন স্পিকার। তবু সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
