মনোনয়ন চূড়ান্তের পর প্রচারে ছিল মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খান রিতা ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহিদ মালেক স্বপন। হঠাৎ উচ্চ আদালত মনোনয়ন বাতিল করায় ভোটের মাঠ থেকে ছিটকে পড়েন ধানের শীষের রিতা। এমন পরিস্থিতিতে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। নেতাকর্মীদের নিয়ে দিন-রাত প্রচার চালাচ্ছেন তিনি।
স্থানীয়রা জানায়, মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ধানের শীষ ও নৌকায় ভোট চান বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। কিন্তু গত ১৭ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত আফরোজা খান রিতার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করায় ভোটের মাঠ থেকে সরে যান তিনি। এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহিদ মালেক স্বপন একাই নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। যদিও গণফোরামের প্রার্থী মফিজুল খান কামাল সূর্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রফিকুল ইসলাম অভি কোদাল প্রতীতে নির্বাচন করছেন। তাদের তেমন মাঠে দেখা যাচ্ছে না। এরই মধ্যে গত শুক্রবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী জহিরুল আলম রুবেল জানান, দল বা জোট চাইলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহিদ মালেক স্বপনের জন্য তিনি নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়াবেন।
জাহিদ মালেক স্বপন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি বিগত ১০ বছরে অনেক দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। তাই শতভাগ নিশ্চিত আমি জয়ী হব।’ তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য বালিয়াটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বলেন, ‘বিএনপি বা কোনো দল মাঠে আছে কি না তা জানি না। আমরা নিয়মিত নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছি। আমাদের জয় নিশ্চিত।’ জেলা যুবদলের সভাপতি কাজী রায়হান উদ্দিন টুকু দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিএনপি প্রার্থীর নিশ্চিত জয় দেখে সরকার ষড়যন্ত্র করে তার মনোনয়ন বাতিল করেছে।’ তিনি বলেন, ‘গত ১১ ডিসেম্বর বিএনপির প্রার্থী সাটুরিয়ায় সৈয়দ কালোশাহ ফকিরের মাজার জিয়ারত করতে গেলে সেখানে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ হামলা চালায়। অথচ সেই ঘটনার মামলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’ গণফোরামের প্রার্থী মফিজুল খান কামাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিএনপি প্রার্থী না থাকায় জোট আমাকে সাহায্য করলে আমি জয়ী হব।’
