নিখোঁজ ৪ ছাত্রকে কাফরুল থানায় সোপর্দ

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০১৯, ১০:২০ পিএম

নিখোঁজ চার শিক্ষার্থীর সন্ধান চেয়ে সকালে অভিভাবকরা সাংবাদিক সম্মেলন করার পর সন্ধ্যায় কাফরুল থানায় সোপর্দ করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের থানায় সোপর্দ করার বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিকদার মোহাম্মদ শামীম।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)  কার্যালয়ে  সংবাদ সম্মেলন করেন নিখোঁজ চার ছাত্রের পরিবার। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবু খালেদ মোহাম্মদ জাবেদের ছোট ভাই আবু হাসনাত, বোরহান উদ্দিনের বড় ভাই মনির, রেজাউল খালেকের বড় ভাই আবিদাতুন খালিদ ও ডা. সৈয়দ মমিনুল হাসানের বড় ভাই সৈয়দ ইদরাক।

তারা লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট থেকে বাড়ি ফেরার পথে ফার্মগেটে বাস থামিয়ে সাদা পোশাকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাদের তুলে নেয়।

ওই ছাত্ররা হলেন, এশিয়ান ইউনিভারসিটি’র বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের আবু খালেদ মোহাম্মদ জাবেদ, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের বোরহান উদ্দিন, মানারাত ইন্টারন্যালশনাল ইউনিভারসিটি’র শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী রেজাউল খালেক ও ঢাকা ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজের সাবেক ছাত্র ডা. সৈয়দ মমিনুল হাসান।

অভিভাবকরা দাবি করেন, বাসে থাকা তাদের সন্তানদের অপর এক বন্ধুর মাধ্যমে আটকের বিষয়টি তারা জানতে পারেন। তারপর তেজগাঁও থানা এবং পার্শ্ববর্তী সব থানাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সবাই আটকের বিষয়ে অস্বীকার করে।

তারা আরও জানান, আটকের পর দুই দিন পেরিয়ে গেলেও আইন অনুযায়ী তাদের আদালতে হাজির করেনি। নিখোঁজ ছাত্রদের উদ্ধারের জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের কাছে আমাদের সন্তানদের উদ্ধার করার অনুরোধ জানান।

মমিনুল হাসানের বড়ভাই সৈয়দ ইদরাক জানান, সন্ধ্যায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম চার ছাত্রকে কাফরুল থানায় সোপর্দ করে। তাদের বিরুদ্ধে কী মামলা দেয়া হয়েছে বা কী অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছিল তিনি সেটা বলতে পারেননি।

জানতে চাইলে কাফরুল থানার ওসি সিকদার মোহাম্মদ শামীম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ডিবির একটি দল তাদের থানায় দিয়ে গেছে। কোন মামলায় কেন তাদের আটক করা হয়েছে বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিক জানতে পারিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত