সাভারের আশুলিয়ায় অপহরণের পর দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত নারী একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক। সোমবার এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রহিম নামে নিহত নারীর এক সহকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক আবদুর রহিম পাবনা জেলার সাঁথিয়া থানার তেঁতুলিয়া গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে।
ধর্ষিতার মা-বাবা দেশ রূপান্তরকে জানান, গত পাঁচ জানুয়ারি জামগড়া এলাকার ইয়াগি গার্মেন্ট নামক একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল তাদের মেয়ে। এ সময় একই গার্মেন্টের শ্রমিক ও তাদের দূঃসম্পর্কের আত্মীয় রহিম তার মেয়েকে ফুসলিয়ে পাশের একটি খালি জায়গায় নিয়ে যায়। পরে একাধিক নম্বর থেকে মেয়ের মুক্তিপণ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে রিপন ও শিপন। মুক্তিপণের টাকা দিতে না পারায় রহিমের সঙ্গী ইয়াগি গার্মেন্টের লাইন চিফ রিপন ও ক্যানটিন মালিক শিপনসহ চারজন মিলে তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। এরপর ভোররাত তিনটার দিকে অসুস্থ অবস্থায় মেয়েকে বাসার সামনে ফেলে যায়।
তারা জানান, মেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হলে রোববার দুপুরে ধর্ষণের ঘটনাটি জানিয়ে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর রাতে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নরসিংহপুর এলাকার নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আশুলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ দেশ রূপান্তরকে জানান, নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতাল থেকে ধর্ষণের শিকার নারী শ্রমিকের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রহিম নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
