সাংবাদিকদের দুদক চেয়ারম্যান

হলফনামায় গরমিল পেলে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০৩:৪১ এএম

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের হলফনামায় উল্লেখ করা সম্পদের বিবরণ ও আয়ের উৎস পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে।  কোনো প্রার্থীর সম্পদ ও আয়ের উৎসের বিষয়ে গরমিল অথবা কালো টাকার সন্ধান পাওয়া গেলে, তার বিরুদ্ধে আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হবে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জমা দেওয়া হলফনামা দুদক সংগ্রহ করেছে। এটা ধর-মার-কাট কোনো বিষয় নয়। তাদের দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সময় লাগবে।’ যেখানেই দুর্নীতি পাওয়া যাবে, সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মন্ত্রিপরিষদ থেকে বাদপড়া অনেকের দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘অভিযোগ যদি থাকে আমরা অনুসন্ধান করব, অভিযোগগুলো দৃশ্যমান করব।’

আগামী দুই মাসের মধ্যে দুদকের বিভিন্ন তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুর্নীতি দমনে নতুন সরকারের যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার তা আমাদের দৃঢ়ভাবে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।  আমরা দুর্নীতি বন্ধে সরকারের এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সর্বশক্তি নিয়োগ করব।  এ ছাড়া নিয়োগ বাণিজ্য, ভর্তি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্যসহ যেখানেই দুর্নীতির গন্ধ পাব, সেখানেই গিয়ে আমরা হাজির হব।’

বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কেবল বেসিক ব্যাংক নয়, আর্থিক খাতের সব দুর্নীতি বন্ধে কাজ করবে দুদক। তবে কোনো মেগা প্রকল্প, জনবল নিয়োগের বিষয়ে দুদক সরাসরি সম্পৃক্ত হবে না। আমরা দেখব এবং ধরব।  আপনারাই দেখবেন ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’। আমার বিশ্বাস, এ সরকার দুর্নীতির রশি টেনে ধরবে।’   

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত