আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহসভাপতি মৃদুল হোসেনের চাঁদাবাজি থেকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীও বাদ যাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। তাকে চাঁদা না দেওয়ায় ময়লা নিতে বাধাদান এবং প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সকেদা বেগম নামে এক পরিচ্ছন্নতা কর্মী। সকেদা বেগম দেশ রূপান্তরকে জানান, ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম কয়েক মাস আগে এলাকার বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য তাকে একটি অনুমতিপত্র দেন। এরপর থেকে তিনি ওই এলাকার ময়লা পরিষ্কারের কাজ করে আসছেন। কিন্তু এক সপ্তাহ আগে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মৃদুল তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় গত ১৫ জানুয়ারি দুপুরে দুই সহকর্মীকে নিয়ে ময়লা পরিষ্কার করতে গেলে তাদের পিটিয়ে আহত করেন মৃদুল ও তার লোকজন। এ ঘটনায় ওই দিনই তিনি আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে মৃদুল হোসেন বলেন, চাঁদাবাজির বিষয়টি মিথ্যা ও সাজানো। আমি ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজটা নিজে করতে চাইছি, তাই ওকে ময়লা নিতে নিষেধ করেছি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কোনো লাভ হবে না, বরং তাকেই এলাকা ছাড়তে হবে।
থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি শহীদুল্লাহ মুন্সী বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ অপকর্ম করলে দল তার দায়ভার বহন করবে না। দলের সুনাম ক্ষুণের কাজ করলে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বা অপকর্মকারীকে দল থেকে বিতাড়িত করা হবে।
আশুলিয়া থানার এসআই আজাহার হোসেন বলেন, এক নারীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, কিন্তু অভিযুক্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় দুই পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
