জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেছে ভারতের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল কংগ্রেস। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীর বোন প্রিয়াঙ্কা কবে রাজনীতিতে সরাসরি সক্রিয় হবেন, ভারতজুড়ে এই আলোচনা ছিল দীর্ঘদিনের।
প্রিয়াঙ্কার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার খবর ফলাও করে প্রচার করছে ভারতীয় গণমাধ্যম। দেশটির ইংরেজি সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি গান্ধী পরিবারের এই সদস্যাকে কংগ্রেসের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। প্রভাবশালী বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার বলছে, প্রিয়াঙ্কার রাজনীতিতে আসা সব মহলের কাছে রীতিমতো ‘চমক’।
সামনের মে মাসে ভারতে নির্বাচন হওয়ার কথা। তার কয়েক মাস আগে প্রিয়াঙ্কাকে উত্তরপ্রদেশের পূর্বাঞ্চলের দায়িত্ব দেওয়া হল।
২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশে বিজেপির বিপুল সাফল্য ছিল নরেন্দ্র মোদির জন্য। এবার বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধে ফেলেছেন মায়াবতী-অখিলেশ। কংগ্রেসও ৮০টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। ফলে এবারের ভোটে কংগ্রেসের কাছেও বড় চ্যালেঞ্জ এই উত্তরপ্রদেশ। এক দিকে বিজেপি এবং অন্য দিকে বিএসপি-এসপি জোট। দুই পক্ষকে মোকাবিলা করতে ৪৭ বছরের প্রিয়াঙ্কার ওপর ভরাস রাখছে কংগ্রেস।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রিয়াঙ্কার নাম ঘোষণা করার পর রাহুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রিয়াঙ্কাকে আমি দুই মাসের জন্য পাঠাচ্ছি না। পাঠাচ্ছি উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের আদর্শ ছড়িয়ে দিতে।’
চেহারার কারণে প্রিয়াঙ্কার মাঝে অনেকেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মিল খুঁজে পান। কিন্তু এর আগে কখনোই সেভাবে রাজনীতিতে জড়াননি তিনি। তার চলাফেরা সীমিত ছিল সোনিয়া-রাহুলের আসন রায়বরেলি ও অমেঠিতে। লোকসভা ভোটের প্রচারসভায় মাঝে মধ্যে দেখা যেত।
