লক্ষ্মীপুরে গতকাল বুধবার ট্রাক ও সিএনজিচালিক অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের ছয়জনসহ সাতজন নিহত হয়েছে। ভোরে লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়কের পশ্চিম মান্দারী এলাকার এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা হলেন অটোরিকশার যাত্রী শাহ আলম (৫০), তার স্ত্রী নাছিমা আক্তার (৪০), শিশুপুত্র অমিত (৭), আত্মীয় শামছুন্নাহার (৬০),
রোকেয়া বেগম (৩৮) ও রুবেল হোসেন এবং চালক নুর হোসেন। একই পরিবারের নিহত সবাই সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জের সাদারঘর ও চালক নুর হোসেন উপজেলার নেয়ামতপুর এলাকার বাসিন্দা।
স্বজনরা জানায়, শাহ আলমের ছেলে ছাত্রলীগকর্মী নাদিম মাহমুদ অন্তরকে মঙ্গলবার রাতে লক্ষ্মীপুরের সাদারঘর এলাকায় দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাকে দেখতে বুধবার ভোরে পরিবারের লোকজন হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। পথে পশ্চিম মান্দারী এলাকায় তাদের অটোরিকশার সঙ্গে মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার যাত্রীরা ট্রাকের বস্তার নিচে চাপা পড়ে মারা যান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ট্রাক ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করে। এসময় রাস্তার দু-পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধারকারী রেকার আসতে দেরি হওয়াতে উদ্ধারকাজে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে। সঠিক সময়ে রেকার আসলে এত প্রাণহানি হতো না।
লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. আবদুল্লাহ ও চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. শাহজাহান নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করে জানান, তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রাকচালককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
