প্রার্থীর মৃত্যুতে বন্ধ থাকা জাতীয় সংসদ নির্বাচন গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৭ জানুয়ারি। আসনে মূল লড়াইটা হবে আওয়ামী লীগের ইউনুস আলী সরকার, জাসদের এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী দিলারা খন্দকারের মধ্যে। তারা নির্বাচনের মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে তারা গেছেন। আসনটি পেতে মরিয়া মহাজোটের এই তিন প্রার্থীই। তারা ছাড়াও নির্বাচনের মাঠে আছেন এনপিপির মিজানুর রহমান তিতু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মো. জাহিদ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম তফসিলে প্রতীক বরাদ্দের পর গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরী গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মারা গেলে ৩০ ডিসেম্বর এই আসনের ভোট বন্ধ থাকে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে ১৩২টি ভোটকেন্দ্রের ৭৮৬টি ভোটকক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন চার লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ জন।
জানা গেছে, এই আসনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আবু তালেব মিয়া ও দশমে ইউনুস আলী সরকার, দ্বিতীয়তে বিএনপির ড. আর এ গনি ও ষষ্ঠতে অধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান এবং তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম ও নবম সংসদে জাতীয় পার্টির ড. টি আই এম ফজলে রাব্বী চৌধুরী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
এর আগে ইউনুস আলী সরকার অষ্টম ও নবমে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং খাদেমুল ইসলাম খুদি দশম সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। দিলারা খন্দকার, মিজানুর রহমান তিতু ও আবু জাফর মো. জাহিদ এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া খাদেমুল ইসলাম খুদি ২০০৩ সালে সাদুল্লাপুরের ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ২০০৯ সালে সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ পর্যাপ্ত থাকবে। তিন স্তুরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করা হবে।
